একদিন চিনে নেবে তারে,
তারে চিনে নেবে
অনাদরে যে রয়েছে কুন্ঠিতা ॥
সরে যাবে নবারুণ-আলোকে এই কালো অবগুন্ঠন–
ঢেকে রবে না রবে না মায়াকুহেলীর মলিন আবরণ,
তারে চিনে নেবে ॥
আজ গাঁথুক মালা সে গাঁথুক মালা,
তার দু:খরজনীর অশ্রুমালা ।
কখন দুয়ারে অতিথি আসিবে,
লবে তুলি মালাখানি ললাটে ।
আজি জ্বালুক প্রদীপ চির-অপরিচিতা
পূর্ণ প্রকাশের লগন-লাগি–
তারে চিনে নেবে ॥
Related Articles
মধুর বসন্ত এসেছে
মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে। মধুর মলয়-সমীরে মধুর মিলন রটাতে। কুহক লেখনী ছুটায়ে কুসুম তুলিছে ফুটায়ে, লিখিছে প্রণয়-কাহিনী বিবিধ বরন-ছটাতে। হেরো পুরানো প্রাচীন ধরণী হয়েছে শ্যামল-বরনী, যেন যৌবন-প্রবাহ ছুটিছে কালের শাসন টুটাতে; পুরানো বিরহ হানিছে, নবীন মিলন আনিছে, নবীন বসন্ত আইল নবীন জীবন ফুটাতে। 06 Modhur boshontto esheche
বর্ষার দিনে
এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘনঘোর বরিষায়! এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরঝরে তপনহীন ঘন তমসায়। সে কথা শুনিবে না কেহ আর, নিভৃত নির্জন চারি ধার। দুজনে মুখোমুখি গভীর দুখে দুখি, আকাশে জল ঝরে অনিবার। জগতে কেহ যেন নাহি আর। সমাজ সংসার মিছে সব, মিছে এ জীবনের কলরব। কেবল আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে হৃদয় দিয়ে হৃদি […]
আমি চঞ্চল হে
আমি চঞ্চল হে, আমি সুদূরের পিয়াসি। দিন চলে যায়, আমি আনমনে তারি আশা চেয়ে থাকি বাতায়নে– ওগো, প্রাণে মনে আমি যে তাহার পরশ পাবার প্রয়াসী॥ ওগো সুদূর, বিপুল সুদূর, তুমি যে বাজাও ব্যাকুল বাঁশরি– মোর ডানা নাই, আছি এক ঠাঁই সে কথা যে যাই পাশরি॥ আমি উন্মনা হে, হে সুদূর, আমি উদাসী॥ রৌদ্র-মাখানো অলস বেলায় […]

