তরী আমার হঠাৎ ডুবে যায়
কোন্খানে রে কোন্ পাষাণের ঘায়॥
নবীন তরী নতুন চলে,
দিই নি পাড়ি অগাধ জলে–
বাহি তারে খেলার ছলে কিনার-কিনারায়॥
ভেসেছিলেম স্রোতের ভরে, একা ছিলেম কর্ণ ধ’রে–
লেগেছিল পালের ‘পরে মধুর মৃদু বায়।
সুখে ছিলেম আপন-মনে,
মেঘ ছিল না গগনকোণে–
লাগবে তরী কুসুমবনে ছিলেম সেই আশায়॥
Related Articles
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে। অন্তরে আজ দেখব, যখন আলোক নাহি রে।। ধরায় যখন দাও না ধরা হৃদয় তখন তোমায় ভরা, এখন তোমার আপন আলোয় তোমায় চাহি রে।। তোমায় নিয়ে খেলেছিলেম খেলার ঘরেতে। খেলার পুতুল ভেঙে গেছে প্রলয় ঝড়েতে। থাক তবে সেই কেবল খেলা, হোক-না এখন প্রাণের মেলা তারের বীণা ভাঙল, হৃদয়-বীণার গাহি রে।।
আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে
আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে যে কথা শুনায়েছি বারে বারে॥ আমার পরানে আজি যে বাণী উঠিছে বাজি অবিরাম বর্ষণধারে॥ কারণ শুধায়ো না, অর্থ নাহি তার, সুরের সঙ্কেত জাগে পুঞ্জিত বেদনার। স্বপ্নে যে বাণী মনে মনে ধ্বনিয়া উঠে ক্ষণে ক্ষণে কানে কানে গুঞ্জরিব তাই বাদলের অন্ধকারে॥
ক্ষমা কর মোরে
ক্ষমা কর মোরে, সখি, শুধায়ো না আর! মরমে লুকানো থাক্ মরমের ভার! যে গোপন কথা, সখি, সতত লুকায়ে রাখি ইষ্টদেবমন্ত্র-সম পূজি অনিবার তাহা মানুষের কানে ঢালিতে যে লাগে প্রাণে— লুকানো থাক্ তা, সখি, হৃদয়ে আমার! ভালোবাসি, শুধায়ো না কারে ভালোবাসি! সে নাম কেমনে, সখি, কহিব প্রকাশি! আমি তুচ্ছ হতে তুচ্ছ, সে নাম যে অতি উচ্চ, […]


