এখন আর দেরি নয়, ধর্ গো তোরা হাতে হাতে ধর্ গো।
আজ আপন পথে ফিরতে হবে সামনে মিলন-স্বর্গ॥
ওরে ঐ উঠেছে শঙ্খ
এখন আর দেরি নয়, ধর্ গো তোরা হাতে হাতে ধর্ গো।
আজ আপন পথে ফিরতে হবে সামনে মিলন-স্বর্গ॥
ওরে ঐ উঠেছে শঙ্খ বেজে, খুলল দুয়ার মন্দিরে যে—
লগ্ন বয়ে যায় পাছে, ভাই, কোথায় পূজার অর্ঘ্য?।
এখন যার যা-কিছু আছে ঘরে সাজা পূজার থালার’পরে,
আত্মদানের উত্সধারায় মঙ্গলঘট ভর্ গো।
আজ নিতেও হবে, আজ দিতেও হবে, দেরি কেন করিস তবে—
বাঁচতে যদি হয় বেঁচে নে, মর্তে হয় তো মর্ গো॥
Related Articles
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে।। বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে।। কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান পাঠাব তোমা-পানে শেষ উপহারে।। Borsonmondrito ondhokare wshechi tomai e dare
ও যে মানে না মানা
ও যে মানে না মানা। আঁখি ফিরাইলে বলে, ‘না, না, না।’ যত বলি ‘নাই রাতি– মলিন হয়েছে বাতি’ মুখপানে চেয়ে বলে, ‘না, না, না।’ বিধুর বিকল হয়ে খেপা পবনে ফাগুন করিছে হাহা ফুলের বনে। আমি যত বলি ‘তবে এবার যে যেতে হবে’ দুয়ারে দাঁড়ায়ে বলে, ‘না, না, না।’ রাগ: ভৈরবী তাল: দাদরা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1316 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1909 স্বরলিপিকার: সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় […]
বর্ষার দিনে
এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘনঘোর বরিষায়! এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরঝরে তপনহীন ঘন তমসায়। সে কথা শুনিবে না কেহ আর, নিভৃত নির্জন চারি ধার। দুজনে মুখোমুখি গভীর দুখে দুখি, আকাশে জল ঝরে অনিবার। জগতে কেহ যেন নাহি আর। সমাজ সংসার মিছে সব, মিছে এ জীবনের কলরব। কেবল আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে হৃদয় দিয়ে হৃদি […]

