এসো হে বৈশাখ
এসো, এসো, তাপস নিশ্বাস বায়ে মু মূ র্ষুরে দাও উড়ায়ে,
তাপস নিশ্বাস বায়ে মু মূ র্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক
যাক,যাক,যা্ক,এসো, এসো,
এসো হে বৈশাখ
এসো, এসো,
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি,
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি,
যাক অশ্রু বাষ্প সুদূরে মিলাক।
যাক,যাক,এসো, এসো,
এসো হে বৈশাখ
এসো, এসো,
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জ্বরা,
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশ রাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
রসের আবেশ রাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো
আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
আনো আনো
আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুজ্ঝটি জাল যাক দূরে
যাক,যাক
এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ
এসো এসো
তাপস নিশ্বাস বায়ে মু মূ র্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক
এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ
এসো এসো ।
গানটি শুনুন এখানে
Related Articles
কথোপকথন-৪১
-বৃক্ষের বল্কল দেখে মনে হয় যেন আমাদের কথোপকথনগুলো যাতে না হারায় আশ্চর্য হরফে লিখে রেখেছে উল্কির মতো নিজেদের গায়। পৃথিবীর বৃক্ষগুলো মানুষের গোপনীয়তম সমস্ত সংবাদ জানে,এমনকি তোমাকে যা কখনো বলিনি হৃদয়ের সেই সব তূর্ষনাদও আর্তনাদও জানে। -নভোমন্ডলের দিকে চেয়ে থেকে ঠিক এরকমই ভেবেছি আমিও। কোন গোপন আলমারী ঘেঁটে-ঘুঁটে তোমাকে যে-সব চিঠি লিখেছি,যা কখনো লিখিনি নক্ষত্র-অক্ষরে […]
পার হয়ে যাই জীবন-মরণ
কাটিয়ে দিলাম একটা জীবন মস্ত বড় কোথায় এলাম কি যে পেলাম, থরথর কাঁপছে শরীর এই তনুমন, বৃক্ষ যেমন হাওয়ার তোড়ে কাঁপতে থাকে তেমনি এখন— কাঁপছি আমি অগ্রগামী দু টি চরণ পার হয়ে যাই,পার হয়ে যাই,জীবন মরণ পথ থেকে পথ পাড়ি দিলাম—কি যে পেলাম! দু হাত খুলে দেখছি রেখা কি যে লেখা জানে না কেউ। […]
পিকাসোর জন্য
এই এক ছবি দেখি, দিন রাত দুর্বোধ্য আয়নায় বিকেলের মতো এক ক্লান্ত নারী রহস্য ভিতরে ; কিংবা আমাদের মন আছে কিনা, অস্ফুট বার্তায় প্রশ্ন শুনি যেন ; কিংবা যতটুকু এ হৃদয়ে ধরে ততটুকু নিতে গিয়ে দেখি ছবি অগাধ গভীর কোথায় যে নিয়ে যায়? তারপর সকলি নিবিড় চেতনা চেতনা শুধু! এক ছবি বহু ছবি হয় তখন […]

