আমার নাইবা হল পারে যাওয়া।
যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥
নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি।
আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥
হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে।
আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া।
কম কিছু মোর থাকে হেথা পুরিয়ে নেব প্রাণ দিয়ে তা।
আমার সেইখানেতেই কল্পলতা যেখানে মোর দাবি-দাওয়া ॥
Related Articles
তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাও
তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাও কুলুকুলুকল নদীর স্রোতের মতো । আমরা তীরেতে দাঁড়ায়ে চাহিয়া থাকি, মরমে গুমরি মরিছে কামনা কত ।। আপনা-আপনি কানাকানি কর সুখে, কৌতুকছটা উছলিছে চোখে মুখে, কমলচরণ পড়িছে ধরণী-মাঝে, কনকনূপুর রিনিক ঝিনিকি বাজে ।। অঙ্গে অঙ্গ বাঁধিছ রঙ্গপাশে, বাহুতে বাহুতে জড়িত ললিত লতা । ইঙ্গিতরসে ধ্বনিয়া উঠিছে হাসি, নয়নে নয়নে বহিছে গোপন […]
যখন তুমি বাঁধছিলে তার সে যে বিষম ব্যথা
যখন তুমি বাঁধছিলে তার সে যে বিষম ব্যথা– বাজাও বীণা, ভুলাও ভুলাও সকল দুখের কথা ॥ এতদিন যা সঙ্গোপনে ছিল তোমার মনে মনে আজকে আমার তারে তারে শুনাও সে বারতা ॥ আর বিলম্ব কোরো না গো, ওই-যে নেবে বাতি। দুয়ারে মোর নিশীথিনী রয়েছে কান পাতি। বাঁধলে যে সুর তারায় তারায় অন্তবিহীন অগ্নিধারায়, সেই সুরে মোর […]
আমাদের যাত্রা হল শুরু এখন
আমাদের যাত্রা হল শুরু এখন, ওগো কর্ণধার। তোমারে করি নমস্কার। এখন বাতাস ছুটুক, তুফান উঠুক, ফিরব না গো আর– তোমারে করি নমস্কার॥ আমরা দিয়ে তোমার জয়ধ্বনি বিপদ বাধা নাহি গণি ওগো কর্ণধার। এখন মাভৈঃ বলি ভাসাই তরী, দাও গো করি পার– তোমারে করি নমস্কার॥ এখন রইল যাত্রা আপন ঘরে চাব না পথ তাদের তরে ওগো কর্ণধার। যখন তোমার […]

