প্রখর তপনতাপে আকাশ তৃষায় কাঁপে,
বায়ু করে হাহাকার।
দীর্ঘপথের শেষে ডাকি মন্দিরে এসে,
“খোলো খোলো খোলো দ্বার॥
বাহির হয়েছি কবে কার আহ্বানরবে,
এখনি মলিন হবে প্রভাতের ফুলহার॥
বুকে বাজে আশাহীনা ক্ষীণমর্মর বীণা,
জানি না কে আছে কিনা, সাড়া তো না পাই তার।
আজি সারা দিন ধ’রে প্রাণে সুর ওঠে ভরে,
একেলা কেমন ক’রে বহিব গানের ভার॥
Related Articles
তার বিদায় বেলার মালাখানি
তার বিদায় বেলার মালাখানি আমার গলে রে দোলে দোলে বুকের কাছে পলে পলে রে।। গন্ধ তাহার ক্ষণে ক্ষণে জাগে ফাগুন সমীরণে গুঞ্জরিত কুঞ্জতলে রে।। দিনের শেষে যেতে যেতে পথের ‘পরে ছায়াখানি মিলিয়ে দিল বনান্তরে। সেই ছায়া এই আমার মনে, সেই ছায়া ওই কাঁপে বনে কাঁপে সুনীল দিগঞ্চলে রে।। Tar Bidaybelar Malakhani
মোরে বারে বারে ফিরালে
মোরে বারে বারে ফিরালে। পূজাফুল না ফুটিল দুখনিশা না ছুটিল, না টুটিল আবরণ ॥ জীবন ভরি মাধুরী কী শুভলগনে জাগিবে? নাথ ওহে নাথ, কবে লবে তনু মন ধন?। রাগ: নট-মল্লার তাল: একতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1313 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1906 স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন more-bare-bare
তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয় শতরূপে শতবার
তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয় শতরূপে শতবার জনমে জনমে তাই চলে মোর অনন্ত অভিসার। বনে তুমি যবে ছিলে বনফুল গেয়েছিনু গান আমি বুলবুল ছিলাম তোমার পূজার থালায় চন্দন ফুলহার। তব সংগীতে আমি ছিনু সুর, নৃত্যে নূপুরছন্দ আমি ছিনু তব অমরাবতীতে পারিজাত ফুলগন্ধ। কত বসন্তে কত বরষায় খুঁজেছি তোমায় তারায় তারায় আজিও এসেছি তেমনই আশায় লয়ে স্মৃতি […]

