ও আমার মন যখন জাগলি না রে
তোর মনের মানুষ এল দ্বারে।
তার চলে যাবার শব্দ শুনে
ভাঙল রে ঘুম–
ও তোর ভাঙল রে ঘুম অন্ধকারে।
মাটির ‘পরে আঁচল পাতি’
একলা কাটে নিশীথ রাতি,
তার বাঁশি বাজে আঁধার-মাঝে
দেখি না যে চক্ষে তারে।
ওরে তুই যাহারে দিলি ফাঁকি
খুঁজে তারে পায় কি আঁখি?
এখন পথে ফিরে পাবি কি রে
ঘরের বাহির করলি যারে।
Related Articles
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা, এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা। যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো, আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ॥ তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে, তিলেক অন্তর হলে না হেরি কূল-কিনারা। কখনো বিপথে যদি ভ্রমিতে চাহে এ হৃদি অমনি ও মুখ হেরি শরমে সে হয় সারা।
সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে
সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে, শোনো শোনো পিতা। কহো কানে কানে, শুনাও প্রাণে প্রাণে মঙ্গলবারতা।। ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাঁচিয়ে, সদাই ভাবনা। যা-কিছু পায় হারায়ে যায়, না মানে সান্ত্বনা।। সুখ-আশে দিশে দিশে বেড়ায় কাতরে– মরীচিকা ধরিতে চায় এ মরুপ্রান্তরে।। ফুরায় বেলা, ফুরায় খেলা, সন্ধ্যা হয়ে আসে– কাঁদে তখন আকুল-মন, কাঁপে তরাসে।। কী হবে গতি, বিশ্বপতি, শান্তি […]
ও আমার উড়াল পঙ্খী রে
ও আমার উড়ল পঙ্খী রে যা যা তুই উড়াল দিয়া যা আমি থাকব মাটির ঘরে, আমার চোক্ষে বৃষ্টি পড়ে তোর হইবে মেঘের উপরে বাসা… [ও] আমার মনে বেজায় কষ্ট সেই কষ্ট হইল পষ্ট দুই চোক্ষে ভর করিল আঁধার নিরাশা তোর হইল মেঘের উপরে বাসা ও আমার উড়ল পঙ্খী রে… মেঘবতী মেঘকুমারী মেঘের উপরে থাক সুখ-দুঃখ […]

