| ফিরবে না তা জানি, তা জানি–
আহা, তবু তোমার পথ চেয়ে জ্বলুক প্রদীপখানি॥ গাঁথবে না মালা জানি মনে, আহা, তবু ধরুক মুকুল আমার বকুলবনে প্রাণে ওই পরশের পিয়াস আনি॥ কোথায় তুমি পথভোলা, তবু থাক্-না আমার দুয়ার খোলা। রাত্রি আমার গীতহীনা, আহা, তবু বাঁধুক সুরে বাঁধুক তোমার বীণা– তারে ঘিরে ফিরুক কাঙাল বাণী॥ |
রাগ: ভৈরব-কীর্তন তাল: ষষ্ঠী রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): পৌষ, ১৩২৯ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1923 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে
বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে। স্থলে জলে নভতলে বনে উপবনে নদীনদে গিরিগুহা-পারাবারে নিত্য জাগে সরস সঙ্গীতমধুরিমা, নিত্য নৃত্যরসভঙ্গিমা। নব বসন্তে নব আনন্দ, উৎসব নব। অতি মঞ্জুল, অতি মঞ্জুল, শুনি মঞ্জুল গুঞ্জন কুঞ্জে শুনি রে শুনি মর্মর পল্লবপুঞ্জে, পিককূজন পুষ্পবনে বিজনে, মৃদু বায়ুহিলোলবিলোল বিভোল বিশাল সরোবর-মাঝে কলগীত সুললিত বাজে। শ্যামল কান্তার-‘পরে অনিল সঞ্চারে ধীরে রে, নদীতীরে শরবনে উঠে […]
আমি আশায় আশায় থাকি
আমি আশায় আশায় থাকি। আমার তৃষিত-আকুল আঁখি॥ ঘুমে-জাগরণে-মেশা প্রাণে স্বপনের নেশা– দূর দিগন্তে চেয়ে কাহারে ডাকি॥ বনে বনে করে কানাকানি অশ্রুত বাণী, কী গাহে পাখি। কী কব না পাই ভাষা, মোর জীবন রঙিন কুয়াশা ফেলেছে ঢাকি। রাগ: কাফি-কানাড়া তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1346 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1939 স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার ami-ashay-ashay-thaki
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে।। বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে।। কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান পাঠাব তোমা-পানে শেষ উপহারে।। Borsonmondrito ondhokare wshechi tomai e dare

