প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে,
কে কোথা ধরা পড়ে, কে জানে–
গরব সব হায় কখন টুটে যায়, সলিল বহে যায় নয়নে।
এ সুখ-ধরণীতে কেবলই চাহ নিতে, জান না হবে দিতে আপনা–
সুখের ছায়া ফেলি কখন যাবে চলি, বরিবে সাধ করি বেদনা।
কখন বাজে বাঁশি গরব যায় ভাসি, পরান পড়ে আসি বাঁধনে॥
প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে,
কে কোথা ধরা পড়ে, কে জানে–
গরব সব হায় কখন টুটে যায়, সলিল বহে যায় নয়নে।
এ সুখ-ধরণীতে কেবলই চাহ নিতে, জান না হবে দিতে আপনা–
সুখের ছায়া ফেলি কখন যাবে চলি, বরিবে সাধ করি বেদনা।
কখন বাজে বাঁশি গরব যায় ভাসি, পরান পড়ে আসি বাঁধনে॥
আমার যদি বেলা যায় গো বয়ে জেনো জেনো আমার মন রয়েছে তোমায় লয়ে॥ পথের ধারে আসন পাতি, তোমায় দেবার মালা গাঁথি– জেনো জেনো তাইতে আছি মগন হয়ে॥ চলে গেল যাত্রী সবে নানান পথে কলরবে। আমার চলা এমনি ক’রে আপন হাতে সাজি ভ’রে– জেনো জেনো আপন মনে গোপন রয়ে॥ Amar jodi jai go bela
আমরা এমনই এসে ভেসে যাই – আলোর মতন, হাসির মতন, কুসুমগন্ধরাশির মতন, হাওয়ার মতন, নেশার মতন ঢেউয়ের মতো ভেসে যাই। আমরা অরুণ-কনক কিরণে চড়িয়া নামি; আমরা সান্ধ্য রবির কিরণে অস্তগামী; আমরা শরৎ ইন্দ্রধনুর বরণে জ্যোৎস্নার মতো অলস চরণে, চপলার মতো চকিত চমকে চাহিয়া, ক্ষণিক হেসে যাই। আমরা স্নিগ্ধ, কান্ড, শান্তি-সুপ্তিভরা আমরা আসি বটে, তবু কাহারে […]
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে– কেন কথা কহিল না, চলিয়া গেল ধীরে॥ নিকুঞ্জে দখিনাবায় করিছে হায়-হায়, লতাপাতা দুলে দুলে ডাকিছে ফিরে ফিরে॥ দুজনের আঁখিবারি গোপনে গেল বয়ে, দুজনের প্রাণের কথা প্রাণেতে গেল রয়ে। আর তো হল না দেখা, জগতে দোঁহে একা– চিরদিন ছাড়াছাড়ি যমুনাতীরে॥
