এবার বুঝি ভোলার বেলা হল–
ক্ষতি কী তাহে যদি বা তুমি ভোলো॥
যাবার রাতি ভরিল গানে
সেই কথাটি রহিল প্রাণে,
ক্ষণেক-তরে আমার পানে
করুণ আঁখি তোলো॥
সন্ধ্যাতারা এমনি ভরা সাঁঝে
উঠিবে দূরে বিরহাকাশমাঝে।
এই-যে সুর বাজে বীণাতে
যেখানে যাব রহিবে সাথে,
আজিকে তবে আপন হাতে
বিদায়দ্বার খোলো॥
Related Articles
হাসি কেন নাই ও নয়নে
হাসি কেন নাই ও নয়নে! ভ্রমিতেছ মলিন-আননে। দেখো, সখী, আঁখি তুলি ফুলগুলি ফুটেছে কাননে॥ তোমারে মলিন দেখি ফুলেরা কাঁদিছে সখী শুধাইছে বনলতা কত কথা আকুল বচনে॥ এসো সখী, এসো হেথা, একটি কহো গো কথা– বলো, সখী, কার লাগি পাইয়াছ মনোব্যথা। বলো, সখী, মন তোর আছে ভোর কাহার স্বপনে॥ রাগ: মিশ্র কাফি তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1288 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1881 hasi-kano-naye-o-naone
অন্ধকারের উৎস-হতে উৎসারিত আলো
অন্ধকারের উৎস-হতে উৎসারিত আলো সেই তো তোমার আলো! সকল দ্বন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ॥ পথের ধুলায় বক্ষ পেতে রয়েছে যেই গেহ সেই তো তোমার গেহ। সমরঘাতে অমর করে রুদ্রনিঠুর স্নেহ সেই তো তোমার স্নেহ ॥ সব ফুরালে বাকি রহে অদৃশ্য যেই দান সেই তো তোমার দান। মৃত্যু আপন পাত্রে ভরি বহিছে […]
হায় কে দিবে আর সান্ত্বনা
হায় কে দিবে আর সান্ত্বনা। সকলে গিয়েছে হে, তুমি যেয়ো না– চাহো প্রসন্ন নয়নে, প্রভু, দীন অধীন জনে ॥ চারি দিকে চাই, হেরি না কাহারে। কেন গেলে ফেলে একেলা আঁধারে– হেরো হে শূন্য ভুবন মম ॥ hai-ke-dibe-ar-santona

