এভাবে আমরা গিয়েছি ক্রমশ দূরে
এক পা সকালে আর এক পা দুপুরে ;
ভেবেছি আজকে না হয় সন্ধ্যা যাক
কাল কথা হবে এমন কি তাড়া থাক ।
এভাবে হয়তো হয়েছে পরশু পার
শেষে সপ্তাহে খবর মেলেনি আর ;
মাসেও এখন হয় না খবর জানা
যে যার মতোই গুটিয়েছি হাতখানা ।
এভাবেই বাড়ে আমাদের ব্যবধান
বছরের কারো জানি না তো সন্ধান ;
এভাবে আমরা ক্রমশই দূরে যাই
কত দিন হয় আমাদের দেখা নাই ।
Related Articles
যদি মানুষ হয়ে না পারি, পাখি হয়েও ফিরব একদিন
আমার জন্য অপেক্ষা করো মধুপুর নেত্রকোনা অপেক্ষা করো জয়দেবপুরের চৌরাস্তা আমি ফিরব। ফিরব ভিড়ে হট্টগোল, খরায় বন্যায় অপেক্ষা করো চৌচালা ঘর, উঠোন, লেবুতলা, গোল্লাছুটের মাঠ আমি ফিরব। পূর্ণিমায় গান গাইতে, দোলনায় দুলতে, ছিপ ফেলতে বাঁশবনের পুকুরে- অপেক্ষা করো আফজাল হোসেন, খায়রুননেসা, অপেক্ষা করো ঈদুল আরা, আমি ফিরব। ফিরব ভালবাসতে, হাসতে, জীবনের সুতোয় আবার স্বপ্ন গাঁথতে- […]
দেরাদুন এক্সপ্রেস
দেরাদুন এক্সপ্রেস পড়ি-মরি দৌড়ে ছুটে গেল। কাকে ছুঁতে? জ্বলজ্বলে যুবক সেজে কার কাছে গেল? ডাকাতের মতো কালো অন্ধকারে, এই মাঝরাতে কাকে খুলে দেবে বলে পরেছে আলোয়-গাঁথা হার? চোখে তার জঙ্গলের খিদে-পাওয়া লাল চিতাবাঘ এই বন্য থাবা দিয়ে কাকে সে জড়াবে? প্রাগৈতিহাসিক কোনো স্মৃতির চন্দনগন্ধ মেখে মহেনএজাদারোর বৃষ জেগে উঠে দিয়েছে হুঙ্কার দেরাদুন এক্সপ্রেস সেইভাবে দৌড়ে […]
আণবিক সুড়সুড়ি
বোলতা, ভিমরুল এবং মৌমাছিদের সঙ্গে কাঠপিঁপড়ে, ডেয়োপিঁপড়ে এবং লালপিঁপড়েদের সন্ধিচুক্তি যেদিন স্বাক্ষরিত হল, কেউ মাথা ঘামায় নি। শুধু কালোপিঁপড়েরা বলেছিল, “আমাদের কিছুই বলার নেই। আমরা কাউকে কামড়াই না শুধু সুড়সুড়ি দিই।’

