তোমাকে ডাকতে ডাকতে আমি মৌন পাহাড়, ডাকতে
ডাকতে উত্তাল সমুদ্র,
আমি তোমাকে ডাকতে ডাকতে মাতাল মৌমাছি,
ডাকতে ডাকতে নিস্তব্ধ আকাশ;
কোটি কোটি বছর আমি তোমাকে এভাবে ডাকছি
নদী শুকিয়ে গেলো, নগর ঘুমিয়ে পড়লো
পৃথিবীতে নেমে এলো শত শত শীতকাল,
আমি তোমাকে ডাকতে ডাকতে অস্থির জলপ্রপাতের
মতো গড়িয়ে পড়লাম।
এই জীবনে আর কতো ডাকা যায়, কতো হাহাকার
করা যায়?
আমি ডাকতে ডাকতে ভাঙাগলা নিঃসঙ্গ কোকিল,
ডাকতে ডাকতে বিষণ্ন হেমন্ত,
এবার শব্দ নয়, নিঃশব্দ বাঁশির মতো ডাকি।
Related Articles
হাত দেখার কবিতা
আমি শুধুই কবিতা লিখি এটা মোটেই কাজের কথা নয় কথাটা শুনলে অনেকেরই হাসি পাবে আমি কিন্তু হাত দেখতেও জানি আমি বাতাসের হাত দেখেছি বাতাস একদিন ঝড় হয়ে সবচেয়ে উঁচু বাড়িগুলোকে ফেলে দেবে আমি বাচ্চা ভিখিরিদের হাত দেখেছি ওদের আগামী দিনে কষ্ট যদিও বা কমে ঠিক করে কিছুই বলা যাচ্ছে না আমি বৃষ্টির হাত দেখেছি তার […]
নিজের স্বদেশে
স্বদেশ তুমি ঝলসে যাওয়া গোলাপকুঁড়ি। সিঁড়ির কাছে ভরদুপুরে আমার ঘরে এগিয়ে এসো! দু চোখ জুড়ে কিসের দৃশ্য ভালবাস? স্বদেশ তুমি এক নদীর নারী_ রাতদুপুরে কিসের ঘোরে এমন তুমি তীক্ষষ্ট হাস? কাদের কাছে যেতে এখন ভালবাস! শহর জুড়ে ফুলের মড়া গন্ধ ছড়ায় শহর জুড়ে বসন্ত তার বাতাস বাড়ায় বক্ষ জুড়ে সেই বাতাসের বেয়াদবি বক্ষ জুড়ে সেই […]
জন্মবৃত্তান্ত
“ক্ষুধার্ত চাষীর ঘরে জন্ম নিলো আজ এক কবি” -মোরগের উচ্চারণে ভোরের আজান; “কে সে শিশু?”-“জানো না সে কেমন মানুষ? কবি সে- তোমার কথা সর্বদাই বলবে জনে-জনে” -ব’লে আড়মোড়া ভাঙে এক সুবেহ্ সাদেকের পাখি; “তোমাদের কথা, ৰুধা ও ব্যাধির কথা রাষ্ট্র ক’রে দেবে দেশে ও বিদেশে” -ব’লে হালের বলদ দু’টি নিশ্চিনত্মে জাবর কাটে বিষণড়ব গোয়ালে৷ “স্বাগতম” […]

