তোমাকে ডাকতে ডাকতে আমি মৌন পাহাড়, ডাকতে
ডাকতে উত্তাল সমুদ্র,
আমি তোমাকে ডাকতে ডাকতে মাতাল মৌমাছি,
ডাকতে ডাকতে নিস্তব্ধ আকাশ;
কোটি কোটি বছর আমি তোমাকে এভাবে ডাকছি
নদী শুকিয়ে গেলো, নগর ঘুমিয়ে পড়লো
পৃথিবীতে নেমে এলো শত শত শীতকাল,
আমি তোমাকে ডাকতে ডাকতে অস্থির জলপ্রপাতের
মতো গড়িয়ে পড়লাম।
এই জীবনে আর কতো ডাকা যায়, কতো হাহাকার
করা যায়?
আমি ডাকতে ডাকতে ভাঙাগলা নিঃসঙ্গ কোকিল,
ডাকতে ডাকতে বিষণ্ন হেমন্ত,
এবার শব্দ নয়, নিঃশব্দ বাঁশির মতো ডাকি।
Related Articles
তোষণ
মানবতার শিশু আজ কেঁদে কেটে মরে নিভৃতে কাঁদে বিচারের বাণী আফ্রিকা থেকে এশিয়া পর্যন্ত শকুনী দৃষ্টি দেয় বিশ্বকর্মারা মুখে তাদের ভালোবাসার ফুলঝুরি অন্তরে বিষ। তাদের কথা মত তুর্কি নাচন নাচে আর কুম্ভকর্ণের মত ঘুমিয়ে থাকে আমাদের কর্তারা সামনে হাটু গেড়ে বসে থাকে নিষ্কর্মা পীর-পুরোহিত। (কবিতাটি ‘শব্দনীড় এবং প্রথমআলো ব্লগে প্রকাশিত)
বাঙলাদেশের কথা (আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম)
যখন আমরা বসি মুখোমুখি, আমাদের দশটি আঙুল হৃৎপিন্ডের মতো কাঁপতে থাকে দশটি আঙুলে, আমাদের ঠোঁটের গোলাপ ভিজে ওঠে আরক্ত শিশিরে, যখন আমরা আশ্চর্য আঙুলে জ্বলি, যখন আমরাই পরষ্পরের স্বাধীন স্বদেশ, তখন ভুলেও কখনো আমাকে তুমি বাঙলাদেশের কথা জিজ্ঞেস করো না; আমি তা মূহূর্তেও সহ্য করতে পারি না, -তার অনেক কারণ রয়েছে। তোমাকে মিনতি করি কখনো […]
পুজারিনী
এত দিনে অবেলায়- প্রিয়তম! ধূলি-অন্ধ ঘূর্ণি সম দিবাযামী যবে আমি নেচে ফিরি র”ধিরাক্ত মরণ-খেলায়- এ দিনে অ-বেলায় জানিলাম, আমি তোমা’ জন্মে জন্মে চিনি। পূজারিণী! ঐ কন্ঠ, ও-কপোত- কাঁদানো রাগিণী, ঐ আখি, ঐ মুখ, ঐ ভুর”, ললাট, চিবুক, ঐ তব অপরূপ রূপ, ঐ তব দোলো-দোলো গতি-নৃত্য দুষ্ট দুল রাজহংসী জিনি’- চিনি সব চিনি। তাই আমি এতদিনে […]

