তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠি
কতোবার দ্বারস্ত হয়েছি আমি
গীতিকবিতার,
কতোদিন মুখস্ত করেছি এই নদীর কল্লোল
কান পেতে শুনেছি ঝর্ণার গান,
বনে বনে ঘুরে আহরণ করেছি পাখির শিস্
উদ্ভিদের কাছে নিয়েছি শব্দের পাঠ;
তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠি
সংগ্রহ করেছি আমি ভোরের শিশির,
তোমাকে লেখার মতো প্রাঞ্জল ভাষার জন্য
সবুজ বৃক্ষের কাছে জোড়হাতে দাঁড়িয়েছি আমি-
ঘুরে ঘুরে গুহাগাত্র থেকে নিবিড় উদ্ধৃতি সব
করেছি চয়ন;
তোমাকে লিখবো বলে জীবনের গূঢ়তম চিঠি
হাজার বছর দেখো কেমন রেখেছি খুলে বুক।
Related Articles
দীপক চাইবাসায় কবে এসেছিল মনে আছে
বিটুর যখন প্যারাটাইফয়েড হয়েছিল ঠিক তার পরে সেদিন মধুটোলার বাড়িতে গোরুটার কালোবাছুর হয়েছিল, প্রেসিডেন্সি কলেজের ড্রাগ-খাওয়া ছেলেমেয়েগুলো ফিরে যাবার পরের রবিবার— ক’দিন পরেই ছিল রাসযাত্রা… সন্দীপনদার বউ ভাইয়ার হাতে বাবার জন্য মাছ পাঠিয়েছিল, বাহাদুরনীর কাছে একগ্লাস দুধ চেয়েছিল– জানেন তো সকাল হলে ওর লাগে, তা না হলে ফ্রেশ হয় না, গরমটা পেটে পড়লে তবে… ফ্রেশ […]
ও মেয়ে
ও মেয়ে তোর জন্যই কিনেছিলাম মুক্তোর মালা। আজ দেরাজে বন্দী দশা তার। নিজের হাতে বেলিফুলের গাছ লাগিয়ে ছিলাম, রোজ মুঠো ভরে নিয়ে যেতাম বিছিয়ে দিতাম তোর আঁচলে। আজ আর জল দেয়া হয়নি সেই গাছে। মাঝ রাতে গঞ্জ যখন নিরব, নিসচুপ প্রতিটি স্নায়ু জানান দেয় তার উপস্থিতি। কোল বালিশে তার নিঃশ্বাসের গন্ধ। দীঘল চোখে এক আকাশ […]
তোমার মুখ
হাতের উপর তোমার মুখটি তুলে ধরলাম দেখলাম আবেগে বোজা তোমার চোখ দেখা হলো না। কতবার বললাম তোমার কানে, কানে-কানে দেখলাম রক্ত লাজে ফিরিয়ে নেওয়া তোমার চোখ দেখা হলো না। তোমার খোঁপা দিলাম খুলে জড়িয়ে নিলাম আমার মুখে-চোখে-বুকে দেখলাম পরম সুখে দু’হাতে ঢাকা তোমার চোখ দেখা হলো না। যাওয়ার সময় পার হয়ে যাচ্ছিলাম একটি-দু’টি করে সবক’টি […]

