লেখা আমার মা,
আমায় ছেড়ে যেন তুমি কোথাও যেও না ….
এই যে এত আলস্য আর নিজেকে এত ঘৃণা
ঘোষিত নির্বিবেক থেকে অমানদক্ষিণা,
এ-সব থেকে নিষ্ক্রমণের তেমন কোনো ভূমি
থাকলে পরে সেই মাটিতে পৌঁছে দিও তুমি।
লেখা আমার মা,
আঁচল দিয়ে আগলে রেখো, কোথাও যেও না।
বাতাস যদি নিজেকে দেয় বীজন
গন্ধ যদি নিজের ঘ্রাণে আকুল,
পানীয় যদি নিজেকে পান করে
জীবন তবে নিজের সমতুল।
লেখা কি তবে নিজেকে লিখে যায়,
মা কি আমি ….আমিই তবে মা?
আমায় ছেড়ে যেন আমি কোথাও যাই না ।
Related Articles
জ্যামিতির উৎস
অবন্তিকা বললি তুই: নৌকো মাতাল হতে যাবে কেন ? এ-যুগে সমুদ্রটা নিজেই মাতাল। আমি বললুম: যত জ্যামিতি কি শুধু তোরই দখলে ? কার কাছ থেকে পেলি ? অবন্তিকা বললি তুই: আর্কিমিডিস দিলেন দেহের ঘনত্ব ! রেনে দেকার্তে দিলেন দেহের বাঁকগুলো ! ইউক্লিড দিলেন গোপন ত্রিভুজ ! লোবোচেভস্কি দিলেন সমন্বিত আদল ! ব্রহ্মগুপ্ত দিলেন মাংসময় বুকের […]
হে স্তন্যদায়িনী
তোমার দুধের মধ্যে এত জল কেন ? তোমার দুধের মধ্যে এত ঘন বিশৃঙ্খলা কেন ? রক্ত ঝরে না ভেজালে কোনো সুখ দরজা খোলে না | ময়ূরও নাচে না তাকে দু-নম্বরী সেলামী না দিলে | হাতুড়ির ঘায়ে না ফাটালে রাজার ভাঁড়ার থেকে এক মুঠু খুদ খেতে পায় না চড়ুই | স্বপ্নে যারা পেয়ে গেছে সচেতন ফাউন্টেন […]
বৃহদারণ্য
হাঁটতে হাঁটতে এলাম চলে, এই ঘনবন হঠাত্ ভাবি একটু দাঁড়াই—কার দু’নয়ন আমার দিকে তাকিয়ে আছে অশ্রু-সজল দু’গাল বেয়ে ঝরছে কি তার চোখের কাজল? আমার কেন ইচ্ছে করে বাড়ি ফেরার বাড়ি-ঘর কি ছিল আমার? ভাঙা বেড়ার আড়ালে সেই একটি গৃহ দাঁড়িয়ে আছে হাওয়ার মাঝে খুব নিরীহ! কে আছে গো এই বাড়িতে, দাও না দেখা! ফেরার কথা […]

