লেখা আমার মা,
আমায় ছেড়ে যেন তুমি কোথাও যেও না ….
এই যে এত আলস্য আর নিজেকে এত ঘৃণা
ঘোষিত নির্বিবেক থেকে অমানদক্ষিণা,
এ-সব থেকে নিষ্ক্রমণের তেমন কোনো ভূমি
থাকলে পরে সেই মাটিতে পৌঁছে দিও তুমি।
লেখা আমার মা,
আঁচল দিয়ে আগলে রেখো, কোথাও যেও না।
বাতাস যদি নিজেকে দেয় বীজন
গন্ধ যদি নিজের ঘ্রাণে আকুল,
পানীয় যদি নিজেকে পান করে
জীবন তবে নিজের সমতুল।
লেখা কি তবে নিজেকে লিখে যায়,
মা কি আমি ….আমিই তবে মা?
আমায় ছেড়ে যেন আমি কোথাও যাই না ।
Related Articles
না
তোমার কাছে চেয়েছিলাম অনির্বচনীয়তা দাওনি। আকাশ ভর্তি মেঘ করেছে, মেঘের হাতে তানপুরা গাওনি। পায়ের কাছে পৌঁছে দিলাম নৌকা বোঝাই বন্দনা নাওনি। গোপন কথা জানিয়েছিলাম, দূত ছিল রাজহংসেরা পাওনি। চাইবে বলে রক্তকমল ভিজিয়ে দিলাম চন্দনে চাওনি। তোমার কাছে চেয়েছিলাম অনির্বচনীয়তা দাওনি।
বাবরের প্রার্থনা
এই তো জানু পেতে বসেছি, পশ্চিম আজ বসন্তের শূণ্য হাত – ধ্বংস করে দাও আমাকে যদি চাও আমার সন্ততি স্বপ্নে থাক। কোথায় গেল ওর স্বচ্ছ যৌবন কোথায় কুরে খায় গোপন ক্ষয়। চোখের সমুখে এই সমূহ পরাভব বিষায় ফুসফুস ধমনী শিরা। জাগাও শহরের প্রান্তে প্রান্তরে ধূসর শূণ্যের আজান গান; পাথর করে দাও আমাকে নিশ্চল আমার সন্ততি […]
কুলি-মজুর
দেখিনু সেদিন রেলে, কুলি ব’লে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে! চোখ ফেটে এল জল, এমনি ক’রে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল? যে দধীচিদের হাড় দিয়ে ঐ বাষ্প-শকট চলে, বাবু সা’ব এসে চড়িল তাহাতে, কুলিরা পড়িল তলে। বেতন দিয়াছ?-চুপ রও যত মিথ্যাবাদীর দল! কত পাই দিয়ে কুলিদের তুই কত ক্রোর পেলি বল্? […]

