– ‘সে যদি তোমাকে অগ্নিতে ফেলে মারে?’
বিনা চেষ্টায় মরে যাব একেবারে
— ‘সে যদি তোমাকে মেঘে দেয় উত্থান?’
বৃষ্টিতে, আমি বৃষ্টিতে খানখান
— ‘সে যদি তোমাকে পিষে করে ধুলোবালি?’
পথ থেকে পথে উড়ে উড়ে যাব খালি
— ‘উড়বে?– আচ্ছা, ছিঁড়ে দেয় যদি পাখা?’
পড়তে পড়তে ধরে নেব ওর শাখা
— ‘যদি শাখা থেকে নীচে ফেলে দেয় তোকে?’
কী আর করব? জড়িয়ে ধরব ওকেই
বলো কী বলব, আদালত, কিছু বলবে কি এরপরও?
— ‘যাও, আজীবন অশান্তি ভোগ করো!’
Related Articles
কাছে দূরে
মুখখানি যেন ভোরের শেফালি নেমে গেল এক্ষুনি দু-অধরে চেপে চাঁদ একফালি নেমে গেল এক্ষুনি তার দুটি আঁখি খঞ্জন পাখি দূরে কাছে ঘুরে নাচে এই আছে এই নেই আছে নেই দূরে কাছে ঘুরে নাচে নেমে গেল এক্ষুনি হাওয়া বারে বারে আঁচল সরায় হাত বারে বারে ঢাকে হাত খালি হলে আঙুল জড়ায় সময়কে পাকে পাকে নেমে গেল […]
বাড়ি
না জমি কেনা হয়নি না বাড়িও তৈরি হয়নি হ্যাঁ আলো জ্বলে হ্যাঁ জলও আসে আর হ্যাঁ চড়াই পাখিরা আসে আরও হ্যাঁ প্রজাপতিরা আসে ফড়িংরাও আসে তারা জানলা পেরিয়ে রান্নাঘরে যায় সেখানে থেকে শোবার ঘর সেখান থেকে বেরোলেই শুরু না জমি কেনা হয়নি পয়সাই ছিল না
এখনো
কাগজ পেলেই আঁকচারা কাটা অভ্যেস। একবার আঁকছিলুম রাজবাড়ি। আঁকতে আঁকতে হয়ে উঠলো আলকাতরা মাখা দৈত্য, কাগজ থেকে লাফ দিয়ে উঠলো দশ আঙুলের থাবা খাঁবো, খাঁবো, খাঁবো। সেই থেকে আর রাজবাড়ি আঁকি না। আঁকি রাজহাঁস, ময়ুর, জলের ঘূর্নি, আর সেই সব শিকড় যা ডুবে আছে আকুলি-বিকুলি তৃষ্ণার ভিতরে। পদ্মপাতায় ডুমুরের গুছির মতো ফলে থাকে যে শিশির […]

