বুক থেকে সব স্মৃতি মুছে দিতে চেয়েছিলি,
তাই না ?
তবে এই নে, কলিজার সবটুকু বিশ্বাস !
ধুয়ে মুছে নিয়ে যা,
তোর মুখ নিঃসৃত থুতু- ছেঁড়া লালা গ্রন্থির
উপনিবেশ ! বেশ বেশ !
যে বিশ্বাসের স্থানে রেখেছিলাম তোকে
সেখানে লিখে এসেছি,
“এখানে আবর্জনা ফেলুন” !
তোর প্রাপ্যতায় জীবন সুন্দর হোক,
হয়ে ওঠ কুচকুচে কাক ।
– জিহান আল হামাদী
৩১শে আগস্ট’২০১৩
Related Articles
টিভিতে লেনিনের মূর্তি অপসারনের দৃশ্য দেখে
এই মূঢ় মানুষেরা জানে না কিছুই, জানে না কখন তারা কাকে ভালোবাসে, কাকে করে প্রত্যাখ্যান, না বুঝেই কাকে বা পরায় মালা, কাকে ছুঁড়ে ফেলে। এই মূঢ় মানুষেরা বোঝেনা কিছুই, মূর্তি ভাঙে, উন্মত্ত উল্লাসে মাতে এমনকি ফেলে না চোখের জল যার জন্য প্রকৃতই হাজার বছর কাঁদবার কথা; বিশ শতক শেষের এই পৃথিবীকে আজ বড়ো অবিম্বাসী বলে […]
কাঁপুনি
শেষ হয়নি কি, আমাদের দেয়া-নেয়া? হাত তুলে আছে, পাড়ানি মেয়েটি বিদায়ের শেষ খেয়া, ডাকছে আমাকে হাঁকছে আমাকে আমিই শেষের লোক। শ্লোক শেষ হলো, অন্ত-মিলেরও শেষ। কাঁপছে নায়ের পাটাতন বুঝি ছেড়ে যেতে উৎসুক। আমি চলে গেলে এ পারে আঁধারে কেউ থাকবে না আর সব ভেসে গেছে এবার তবে কি ভাসাবো অন্ধকার? আলো-আঁধারির এই খেলা তবে আমাকে […]
চলো গুলফিঘাট
কেউ মরলেই তার শব ঘিরে মৃত্যু উৎসব ছিল ইমলিতলায় বয়ঃসন্ধির পর দেহের ভেতর অহরহ উৎসব চলে তাই তারা মারা গেলে কান্নাকাটি চাপড়ানি নয় বিলাপ কেবল শিশুদের জন্য করো বাচা-বুতরুর জন্য কাঁদো যত পারো শবখাটে চারকোণে মাটির ধুনুচি বেঁধে গুলফি ঘাটের শমসানে ঢোলচি ঢোলকসহ সানাই বাজিয়ে নেচে আর গেয়ে পাড়ার ছেলেরা কুড়োতুম ছুঁড়ে-ফেলা তামার পয়সা প্যাঁড়া […]

