রতনপুর কত দূর মাইলের দূরত্ব দিয়ে না মেপে নদীমাতৃক বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রামের নিভৃত কোণের একটি ধরে নেয়াই ভালো_ একাত্তরে, সেখানে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীরও হিম্মতে কুলোয় নি, এমনই প্রত্যন্ত এক অঞ্চল, অথচ সেখানেই আজ থেকে কমের ভেতর বছর শ’দুই আগে ছিল আমার নিজেরই শিকড় বা উৎস যাই বলা যাক; আজ এত এত বছরের ব্যবধানে দাঁড়িয়ে […]
লেখক: বেলাল চৌধুরী
জন্ম: ১২ নভেম্বর ১৯৩৮। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত একজন আধুনিক বাঙ্গালী কবি যাকে ষাট দশকের সঙ্গে চিহ্নিত করা হয়। তিনি সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং সম্পাদক হিসাবেও খ্যাতিমান। তাঁর জন্ম ১৯৩৮ সালের ১২ই নভেম্বর বাংলাদেশের ফেনী উপজেলার অন্তর্গত শর্শদি গ্রামে। তাঁর পিতা রফিকউদ্দিন আহমাদ চৌধুরী ও মা মুনীর আখতার খাতুন চৌধুরানী। তিনিঁ দীর্ঘকাল ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস কর্তৃক প্রকাশিত ভারত বিচিত্রা পত্রিকাটির সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
নারীর অস্ত্র
বিশ্বাসকে হতে দাও আমার ঢাল আনন্দকে আমার তুখোড় যুদ্ধাশ্ব ভয়ঙ্কর অই দানবটির নিদারুণ ক্রোধের প্রচণ্ড গৃধ্নুতা ও লোভের হাত হতে আমাকে মুক্ত হতে দাও অন্ধকারের দুর্গ থেকে আমার যৌবনের তরবারি দিয়ে এ-ফোঁড় ও-ফোঁড় সদা সত্যের সামর্থ্য, তেজ আর শক্তিশালী পরাক্রমে।
পশম-উৎসবের আমন্ত্রণলিপি
পশমে ভরে যাচ্ছে চারপাশ, হাওয়ায়-হাওয়ায় বাজছে পশমের রণদামামা, পশম তুমি কোথায়? পশমের নামে ঝ’রে যাচ্ছে অজস্র বাদামপাতা শান-বাঁধা পথের ওপর টুপটাপ শব্দের মঞ্জুরি। শীতার্ত এই রাতে পশম তুমি আমাকে তোমার নাগালে রেখো; ওই তো দূরে কোথাও শুনতে পাচ্ছি ক্রমাগত একনাগাড়ে ডেকে চলেছে হাঁসেরা_ বাবুদের বাগানের ঝিলে, আমি বাইরে বেরুতে পারছি না কতোদিন_ আমাকে তুমি নিয়ে […]
