দুঃসাহসে কাঁধে হাত রেখে দাঁড়ালাম শেষে
এখন আমার যাত্রার পালা নিরুদ্দেশে
পেছনে থাকুক পরিচিত সব গাছের সারি
আমি চলে যাব সব কিছু ছাড়ি নিজের বাড়ি।
জানি না কোথায় ছিল ঘরবাড়ি কী ছিল সেখানে?
তবু শুধু কেন কিসের ইঙ্গিত আমাকে টানে।
আমাকে কেবলই ডাক দেয় কে যে! নাই তার ভাষা
কেবলই ইশারায় ডাক দিয়ে বলে এসো হে কবি।
আমি ডাক শুনে বাঁক ঘুরে দেখি সামনে নদী
চলে গেছে দূরে আরো বহুদূরে যেথা নিরবধি বইছে
সময় স্রোতের ধারায়। সব কিছু ছেড়ে আমি দাঁড়ালাম
একটি পুরনো গাছের ছায়ায়- কিসের মায়ায় বয়ে যায়
হাওয়া, দুচোখে আমার শুধু ঘুম পায়।
আমি স্বপ্নের মাঝেই রয়েছি তবু কেন ঘুম আমায় টানে
কাছে এসে বলে নিঝুম নিঝুম।
Related Articles
বিস্মৃতির অতীত
দিবানিশি নিরবে পোড়াও মনস্তাপে, ভালোবাসা কি তবে পাপ কিংবা শাপে? জোৎস্নাতাড়িত রাতে কষ্টের ফানুস তবে কেন উড়াতে? – আমিও মানুষ! পারি কি লিখে দিতে ভবিষ্যত বাণী? যাপিত জীবন আজ মানি বা না মানি। তবুও কাটে দিন […]
ভালোবাসার দিনে
রাতের অন্ধকার এখন আমার ছবি আঁকার ক্যানভাস । তোমার চোখের আলো আমার রঙ । একদিন তোমাকে যে ছুঁয়েছি সেই আঙুল আমার তুলি এখন । আমি তোমার ঘুমের ছবি আঁকছি । তুমি নিলীন হয়ে শুয়ে আছো এখন আমার ছবির ভেতরে। এই ঘুম থেকে তোমাকে আমি জাগবো না । অস্থির পৃথিবী থেকে তুলে এনে ভালবাসার দু’হাতে তোমাকে […]
ঘোষনাপত্র
বেজে উঠুক কাগজের ঘর্ষণ তালপাতার মত। বাতাসে বিশ্রীভাবে বেঁকে যাবে যাক, তবু তারা পদ্মলোচন হবে না। কাণ্ডে তাদের ভর করবে রাজ্যের আকুতির দুঃসাহস। চ্যালা চামুণ্ডেরা যখন যেভাবে পারে পদ্মলোচনের সাথে ঝুলে পড়ে পড়ুক। তবে সাবধান বিপ্লবীরা, মহান কমরেড, তোমরা কাগজের ঘর্ষণ থামিও না। সেই ঘর্ষণে আত্না শুদ্ধ হোক। শুদ্ধতায় গ্রামের কর্দমাক্ত মাঠ থাক, শহরের বাহারি […]

