আদি সত্যের পাশ দিয়ে একটি নদী বইছিল
আমি সামান্য মানুষ, নদীকে বললাম, থামো
আর দেখো, উতরোল জলস্রোতে
কাঁপতে কাঁপতে নিশ্চল সত্য
কত অনায়াসে ডুবে গেল।
নিমজ্জিত সত্যের ওপর এখন কালান্তক
ঢেউয়ের বুদবুদ। পাখি উড়ছে
কোয়াক কোয়াক করে ডাকছে।
একটি যাযাবর হাঁস। একটি মাঝি
পালের দড়িছড়া ঠিক করতে করতে
গাইল ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে
আমি আর বাইতে পারলাম না।’
দেখলাম
বানের জল এমন ঘোলা যে,
হারিয়ে যাওয়া নাকফুলের হদিস করতে
আজ আর কেউ নদীতে নামবে না।
Related Articles
ছেঁড়া বা খোঁড়া বা ওড়া
স্মৃতিটা ছিল অসম্পূর্ণ। শরীররটা ছিল দামী। তোমার আঙুল বুনছিলো যাকে, সে-কি আমি, সেকি আমি? উত্তর দেয়ার আগে থামিয়ে দিলে সুঁইসুতো। থামলো বুনন। সেই থেকে শুধু খুঁড়ছি, সেই থেকে শুধু উড়ছি … সেই থেকে শুধু গুণছি যার যার স্বর্গপতন।
ক্যালগেরি
আমার জন্ম বাংলাদেশে কিন্তু বার্লিন একদিন আমি খুব পছন্দ করেছিলাম, বার্লিনই আমার প্রথম দেখা পশ্চিম প্রথম প্রেমের মতো প্রথম দেখা সব কিছুই সুন্দর, বার্লিন, তোমাকে আমি ভুলিনি; আমার এখনো মনে পড়ে তোমার মেয়েদের শীতকাল শীতের উদ্ভিদের মতো মসৃণ ঊরু, উষ্ণ ঠোঁট লাল গণ্ডদেশজুড়ে পাকা আপেলের মাদকতা, আমি সেসব কিছুই ভুলিনি, তোমার অশ্রু, তোমার ভালোবাসা তোমার […]
মৃত্তিকার ঘন অন্ধকারে
মৃত্যুপরে মৃত্তিকায় এই দেহ প্রোথিত ফসল, অন্তিম প্রার্থনা শেষে ফিরে যায় সকল স্বজন চল্লিশ কদম দূরে পৌঁছুতে না পৌঁছুতে তখন— বলা হয় ফেরেশতা কবরে নামে সংখ্যায় দুজন— সম্ভবত সেই তারা যারা ছিল কাঁধের ওপরে যখন জীবিত ছিল এই লোক, কাঁধের ওপরে যারা প্রতি মুহূর্তের পাপপুণ্য যা কিছু সে করে সব লিখে রাখে তারা বিবরণ বিশ্বস্ত […]

