আদি সত্যের পাশ দিয়ে একটি নদী বইছিল
আমি সামান্য মানুষ, নদীকে বললাম, থামো
আর দেখো, উতরোল জলস্রোতে
কাঁপতে কাঁপতে নিশ্চল সত্য
কত অনায়াসে ডুবে গেল।
নিমজ্জিত সত্যের ওপর এখন কালান্তক
ঢেউয়ের বুদবুদ। পাখি উড়ছে
কোয়াক কোয়াক করে ডাকছে।
একটি যাযাবর হাঁস। একটি মাঝি
পালের দড়িছড়া ঠিক করতে করতে
গাইল ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে
আমি আর বাইতে পারলাম না।’
দেখলাম
বানের জল এমন ঘোলা যে,
হারিয়ে যাওয়া নাকফুলের হদিস করতে
আজ আর কেউ নদীতে নামবে না।
Related Articles
বল্লেন যাহা জম্বুবান
দাম্পত্য…তুমি সহজে বিষয় থেকে বিষয়হীনতায় চলে যাও ক্ষমতা…তুমি অনায়াসে জনপ্রতিনিধি তছরূপকারী আর খুনের আসামি শিল্প…তুমি বোধ ও অবোধকে একই বর্ণের আস্তরণে সাজিয়ে রেখেছ প্রতিরোধ…তুমি আছ বলে কলিংবেল ডাকছে কথামৃত…তুমিও তো রূপ ও অরূপকে হোমিওপ্যাথির আড়ালে জেনেছ লাউকুমড়ো…ফলন্তের কেন যে এমন ফলের মাথায় ফুল এনেছ নিত্যসিদ্ধ…তুমি আগেভাগে ঈশ্বর টের পেয়ে তবু সাধনায় মেতেছ প্রেমিকা…মাঝরাতে মর্ষকামী তুমি […]
এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না
যে পিতা সন্তানের লাশ সনাক্ত করতে ভয় পায় আমি তাকে ঘৃণা করি- যে ভাই এখনও নির্লজ্জ স্বাভাবিক হয়ে আছে আমি তাকে ঘৃণা করি- যে শিক্ষক বুদ্ধিজীবী কবি ও কেরাণী প্রকাশ্য পথে এই হত্যার প্রতিশোধ চায় না আমি তাকে ঘৃণা করি- আটজন মৃতদেহ চেতনার পথ জুড়ে শুয়ে আছে আমি অপ্রকৃতিস্থ হয়ে যাচ্ছি আট জোড়া খোলা চোখ […]
সূর্যমুখী
ইচ্ছে হলো ব্যাকুল, তবু খুলল না সে ঘর অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে কেঁদে উঠল স্বর ‘এ যে বিষম! এ যে কঠিন!’ কী যে ছোট্ট বাড়ি— সকালও তার মুখ দেখে না, বিকেল করে আড়ি! পীতল মুখে শূন্যে ঝোলে সূর্য সারা দুপুর ঘরেতে তার তাপ পৌঁছয়, জ্বর হয়েছে খুকুর। শুকনো ভাঙা বেদানা তার মাথার কাছে খোলা, ছোট্ট দুটো […]

