বাংলায় ব্লগ লিখতে গিয়ে খুব মজা লাগছে । ব্লগ নয় শুধু কম্পিউটার বাংলা লিখা ও ছিল স্বপ্নের মত ! অনেক এর কাছে ব্যাপার টা হাস্যকর মনে হতে পারে । কারন আমি কম্পিউটার এর ব্যবহার শুরু করি ভিন্ন ভাষা র অপারেটিং সিষ্টেম দিয়ে । যা ইংরেজী নয় । জাপানীজ অপারেটিং সিষ্টেম । ২০০০, এম ই, এক্স পি , কোনো সিষ্টেম এ বাংলা লিখা এত সহজ ছিল না , ভিস্তা আসার পর আমার মন এত ভাল হল যে বলতে ইচ্ছা হচ্ছিল ,আমার মন কেমন করে । মজার ব্যপার হল কি বোর্ড মুখস্ত করার ঝামেলা নেই ,আরো সুবিধা হল ফনেটিক এ বাংলা লিখা যায় , অনেকের কাছে ফনেটিক শব্দটি অপরিচিত হলে ও আমরা অনেক এ ফনেটিক ব্যবহার করে ইয়াহু ,এম এস এন , পালটক ,চ্যাট করি।চ্যাট করার সময় আমরা বাংলা শব্দ ইংরেজী বর্নমালা তে লিখে থাকি , এই ভাবে আপনি যে কোন ভাষার কি বোর্ড, অপারেটিং সিস্টেম থেকে বাংলা লিখতে পারি । এ ব্যাপারে কোন সহায়তা লাগলে লিখবেন । আর একটি কথা বলি আমি এই লেখাটি লিখছি উইন্ডোজ বিস্তা র জাপানীজ অপারেটিং সিষ্টেম আর জাপানী কি বোর্ড থেকে, উইন্ডোজ এক্স পি তে ও আপনি ফনেটিক ব্যবহার করতে পারবেন !
মিতা
কোথায় যে যাই,কী যে চাই কিছুই বুঝতে পারি না। কোনব্যাপারেই মনসংযোগ করতে পারি না।কী কোন কাজে,কী কোন যায়গাতে,কী কোন পুরুষ বা নারীতে আদৌ একনিষ্ট হতে পারি না। গন্তব্যে পৌঁছে গেলেই মনে হয় এখানে তো চাইনি আসতে।তাই পৌঁছে আবার রওনা হই,কোথায় যাব,যেতে চাই তা না জেনেই।
যেখানে আদর পাই, ভালোবাসা পাই, যত্ন পাই, যেখানে প্রাধান্য পাই; ঠিক সেখান থেকেই ভালোবাসার, সন্মানের, আঙ্গুল থেকে আঙ্গুল ছাড়িয়ে নিয়েই আমি অন্যত্র দৌঁড়ে যাই,অন্যত্র পৌঁছে আবার দৌড়াই।
ফিরে যখন যাই সেই নিশ্চিত উষ্ণতার দিকে তখন পৌঁছে দেখি আমার আগেই সেখানে পৌঁছে গেছে শীতের হিমেল রাত।
দিন ফেলে রাতে দৌড়াই; রাত ফেলে দিনে। শরীর ফেলে মনে দৌড়াই; মন ফেলে শরীরে।সব পাই,আবার কিছুমাত্রও পাই না।
Related Articles
মা-শালিকের জন্য শোকগাথা
শালিক পাখিটা দুটো বাচ্চা দিয়েছে। বাবলাগাছের পাতার নিচে, ডালের জোড়ে, খড়কুটো এনে কত কষ্ট করে মা পাখিটা যে বাসা বানাল। ঠোঁটে করে করে কুড়িয়ে আনল একটা করে খড়। একটা করে শুকনো পাতা। একটা করে শুকনো ভাঙা সরু ডাল। নারকেলের ছোবড়া। পেটভরা ডিম। মা-শালিকের নড়তে কষ্ট হয়। চড়তে কষ্ট হয়। তবু তাকে নড়তে হয়। তবু তাকে […]
নতুন পাখি চিতাবক
ভালো একটি দিন। ২০১২ সালের ১৫ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে। আমার গ্রাম চট্টগ্রামের ইছামতীতে। আমাদের পানা ও কলমি দামে ভরা বড় একটি পুকুর আছে। ইছামতী ও কর্ণফুলীর ভাঙনে উদ্বাস্তু হয়ে আমার কাকা অধ্যক্ষ সুশান্ত বড়ুয়া বাড়ি করেছেন এই পুকুরের পশ্চিম পাড়ে। কাকিমা শিপ্রা বড়ুয়া রান্না করছেন। পাকা ঘরের উত্তর দিকে রান্নাঘর। ওখান থেকে কাকিমা শিরীষ, […]

