অন্যান্য

এলেবেলে-৩০

গুলশানের ঘটনা জাপানের সংবাদ মাধ্যমে প্রধান শিরোনাম হিসাবে প্রচার করছে । জাপানের একজন মন্ত্রী ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পৌছেছেন । জাপান সময় সন্ধ্যা ৬ টায় জাইকার সংবাদ সন্মেলন । জাপানের প্রধানমন্ত্রী আজকের পুর্বনির্ধারিত নির্বাচনী প্রচারনার কর্মসুচী বাতিল করে টোকিওতে অবস্থান করছেন ।
জাপানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আটজন জাপানী নাগরিক ঘটনার সময় রেস্তোরাটিতে ছিলেন । একজন কে জীবিত উদ্বার করা গেলে বাকী ৫ জন পুরুষও ২ জন মহিলার সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া যায় নি ।
নিহত ২০ জনের মধ্যে সর্বাধিক জাপানী নাগরিক এর পরে রয়েছেন ইতালীয় নাগরিক । এর আগে আজ সকালেই জাপানের কেবিনেট সচিব জিন্মি ঘটনা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন ।উল্লেখ্য বাংলাদেশে ২৪০ টির মতো জাপানী প্রতিষ্টান এবং হাজার খানেক জাপানী নাগরিক বাংলাদেশে অবস্থান করছে ।
গুলশান ঘটনার পুর্বে জাপানীদের একটা বিশ্বাস ছিলো অন্তত বাংলাদেশে কোন জাপানীর উপর আঘাত আসবে না । সেই বিশ্বাস ভেংগে গেছে ।
(আমার খুব কাছের একজন মানুষ একসময় বাংলাদেশে জাইকাতে কর্মরত ছিলেন )তাঁদের সেই বিশ্বাস আমরা ফিরাতে পারবো বলে মনে হয় না ।
যে সাত জন জাপানী বাংলাদেশে গিয়েছিলেন ওনারা ব্যবসায়ী ছিলেন না । আমাদের দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে নিজের জীবন দিয়ে গেলেন । আমাদের দেশের মতো জাতীয় শোক ঘোষনা করা হয়নি । চায়ের কাঁপে ঝড় ও উঠে না ।২০ বছর আগে পেরুর জাপান দুতাবাসের জিন্মি ঘটনাতেও তাই দেখেছি । জাতি হিসাবে এরা বক্তৃতাবাজ বা তার্কিক ও নন ।
চীনের শ্রম মুল্য বৃদ্বি সহ আরো অনেক কারনে বাংলাদেশ হয়ে উঠেছিলো সম্ভাব্য বিনিয়োগের লক্ষ্য স্থল ।সেই সম্ভাবনা ক্ষীন হয়ে গেল ।
সরকার স্বীকার করুক আর নাই করুক বাংলাদেশে বর্তমানে বাস্তবায়ধীন জাপানী প্রকল্প গুলোতে স্তবিরতা আসবে।বাংলাদেশে কর্মরত জাপানী নাগরিকের নিরাপত্তার বিষয়টা জাপান অগ্রাধিকার দেবে । এর আগে হোসি কুনিও হত্যাকান্ডের পর জাপানী স্বেচ্চাসেবক দেরকে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল জাপান ।
July 2, 2016

মিতা
মিতা
কোথায় যে যাই,কী যে চাই কিছুই বুঝতে পারি না। কোনব্যাপারেই মনসংযোগ করতে পারি না।কী কোন কাজে,কী কোন যায়গাতে,কী কোন পুরুষ বা নারীতে আদৌ একনিষ্ট হতে পারি না। গন্তব্যে পৌঁছে গেলেই মনে হয় এখানে তো চাইনি আসতে।তাই পৌঁছে আবার রওনা হই,কোথায় যাব,যেতে চাই তা না জেনেই। যেখানে আদর পাই, ভালোবাসা পাই, যত্ন পাই, যেখানে প্রাধান্য পাই; ঠিক সেখান থেকেই ভালোবাসার, সন্মানের, আঙ্গুল থেকে আঙ্গুল ছাড়িয়ে নিয়েই আমি অন্যত্র দৌঁড়ে যাই,অন্যত্র পৌঁছে আবার দৌড়াই। ফিরে যখন যাই সেই নিশ্চিত উষ্ণতার দিকে তখন পৌঁছে দেখি আমার আগেই সেখানে পৌঁছে গেছে শীতের হিমেল রাত। দিন ফেলে রাতে দৌড়াই; রাত ফেলে দিনে। শরীর ফেলে মনে দৌড়াই; মন ফেলে শরীরে।সব পাই,আবার কিছুমাত্রও পাই না।