অন্যান্য

এলেবেলে-৬

আশির দশকে আমরা যখন কলেজে পড়ি তখন গ্রুপ থিয়েটারের জয় জয়কার
আমাদের শহরে একটা নাটকের গ্রুপ ছিলো “জোড়াতালি “। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় পথ নাটক দেখতে আমরা ভিড় করতাম শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে শীতের এই কনকনে সন্ধ্যায় ঝালমুড়ি খেতে খেতে আমাদের নাটক দেখা হতো ।
দলটি এখন আছে কিনা জানি না ।
নাটক চলছে নাটক হচ্ছে …।
উৎসব করে যা হাতে তুলে দিয়েছেন তাতে “আঠা” দিয়ে ঢেকে দিবেন বলেছেন ।
যিনি ছবি দেখে অনুমোদন দিলেন তার কিছু হলো না যিনি এঁকেছেন তার নাকি চাকুরি চলে গেল। এই কারনেই ছাগল আম গাছে ঊঠে …
বাংলাদেশে কয়টা লোক অজ মানে ছাগল এই কথাটা জানে ,এই আমিই তো জানতাম না (আমার লেখা পড়া ক্লাশ ফাইভ) । ছাগলের মাংসের দোকানের সামনে লিখা থাকবে ‘এখানে অজের মাংস পাওয়া যায় ” । কি মজা তাই না ।
পাগলে কিনা বলে ,
অজ কিনা খায় …
সহজ সরল ভাষাতে বর্ণশিক্ষা হবে এটা হবে মুল লক্ষ্য । প্রচলিত শব্দ দিয়ে বর্ণপরিচয় হবে এটাই স্বাভাবিক । যারা এসব বই লিখেছেন,সম্পাদনা করেছেন উনাদের শিশু মনোবিজ্ঞান সম্পর্কে ধারনা আছে কিনা জানতে ইচ্ছা করছে ।
…” জোড়াতালি” দিয়েই চলছে ।

মিতা
মিতা
কোথায় যে যাই,কী যে চাই কিছুই বুঝতে পারি না। কোনব্যাপারেই মনসংযোগ করতে পারি না।কী কোন কাজে,কী কোন যায়গাতে,কী কোন পুরুষ বা নারীতে আদৌ একনিষ্ট হতে পারি না। গন্তব্যে পৌঁছে গেলেই মনে হয় এখানে তো চাইনি আসতে।তাই পৌঁছে আবার রওনা হই,কোথায় যাব,যেতে চাই তা না জেনেই। যেখানে আদর পাই, ভালোবাসা পাই, যত্ন পাই, যেখানে প্রাধান্য পাই; ঠিক সেখান থেকেই ভালোবাসার, সন্মানের, আঙ্গুল থেকে আঙ্গুল ছাড়িয়ে নিয়েই আমি অন্যত্র দৌঁড়ে যাই,অন্যত্র পৌঁছে আবার দৌড়াই। ফিরে যখন যাই সেই নিশ্চিত উষ্ণতার দিকে তখন পৌঁছে দেখি আমার আগেই সেখানে পৌঁছে গেছে শীতের হিমেল রাত। দিন ফেলে রাতে দৌড়াই; রাত ফেলে দিনে। শরীর ফেলে মনে দৌড়াই; মন ফেলে শরীরে।সব পাই,আবার কিছুমাত্রও পাই না।