আমাকে বোলো না বন্ধু আর শুদ্ধ কবিতা লিখতে।
বয়ঃসন্ধি-সমাগতা খুঁতখুঁতে কোনো কুমারীর
ভয় ভাঙানো অথবা বদরাগী বিষণ্ন বৃদ্ধের
নিরামিষ রিরংসা মেটাতে আজ আর সাধ নেই।
সাধ নেই সময়ের ঘোলা জলে সাদা পাল তুলে
ভেসে যেতে সেই দেশে যে দেশকে রাঙাপুর বলে,
মড়ি ছেড়ে ওঠা কোনো শকুনের মতো পাখা মেলে
উড়ে যাব অলকায় দুপুরের কাঁচা সোনা রোদে,
কবিত্বের সেই বড়াই সাজে না আমার। ভালো তাই
লাগে না এখন আর মসৃণ শব্দের খেলা শুধু।
কথায় ভেজে না চিঁড়ে—ধনমান-প্রেম নয়, নয়,
চেয়েছি তো ডালভাত আর একটু আশ্রয়।
সোনায় বাঁকানো ঘাড় সোজা যদি না হয় হোক,
মই পড়ে পড়ে যার পাকা ধানে তার লাঙলে কাস্তেতে
ধার দিতে ক্ষয়ে যদি যায় যাক কলমের শাণ,
আমরা না হয় বাঁধি বাসা, আগামীরা গাবে গান।
Related Articles
অভিশাপ দিচ্ছি
আজ এখানে দাড়িয়ে এই রক্ত গোধূলিতে অভিশাপ দিচ্ছি। আমাদের বুকের ভেতর যারা ভয়ানক কৃষ্ণপক্ষ দিয়েছিলো সেঁটে, মগজের কোষে কোষে যারা পুতেছিলো আমাদেরই আপনজনের লাশ দগ্ধ, রক্তাপ্লুত, যারা গনহত্যা করেছে শহরে গ্রামে টিলায় নদীতে ক্ষেত ও খামারে আমি অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক পশু সেই সব পশুদের। ফায়ারিং স্কোয়াডে ওদের সারিবদ্ধ দাঁড় করিয়ে নিমিষে ঝা ঝা […]
দিকশূন্যপুর
এই শহর বা সেই শহর হয়তোবা নাম না জানা কোনও গ্রাম তুই আছিস সেখানে। স্বামী সন্তানের আদরে জড়ানো ঘরকন্না করছিস সুখে। এখনো হয়তো দুপুরবেলা বিছানায় উপুর হয়ে শুয়ে সুনীল বাবুর উপন্যাস পড়িস। হ্যাঁরে, কোনও চরিত্রের সাথে আমার মিল খুঁজে পাস? আমি পাই। আমার ভীষণ নীল হতে ইচ্ছে করে। এখন আমি কোথায় জানিস? ভাটিনার জঙ্গলে। লাল […]
খুনির ঘোচে না পাপ রাজার ক্ষমায়
এদেশ তোমার আর এদেশ আমার এদেশ আমার আর এদেশ সবার আমরা সন্তান সব এ বঙ্গমাতার এদেশে নিষিদ্ধ শুধু খুনি রাজাকার মুক্তিযুদ্ধের দেশ এই বাংলাদেশ চিত্তশুদ্ধির দেশ এই বাংলাদেশ এই দেশ জেলে-জোলা-শ্রমিক-তাঁতির এই দেশ নয় শুধু মৌলবাদীর মুক্তিযোদ্ধার দেশ এই বাংলাদেশ যুক্তিযোদ্ধার দেশ এই বাংলাদেশ এই দেশ ধ্যানী-জ্ঞানী-সুফি-সন্ন্যাসীর এই দেশ নয় শুধু ধর্ম-শিকারির অপরাধ করে যারা […]


