আমাকে বোলো না বন্ধু আর শুদ্ধ কবিতা লিখতে।
বয়ঃসন্ধি-সমাগতা খুঁতখুঁতে কোনো কুমারীর
ভয় ভাঙানো অথবা বদরাগী বিষণ্ন বৃদ্ধের
নিরামিষ রিরংসা মেটাতে আজ আর সাধ নেই।
সাধ নেই সময়ের ঘোলা জলে সাদা পাল তুলে
ভেসে যেতে সেই দেশে যে দেশকে রাঙাপুর বলে,
মড়ি ছেড়ে ওঠা কোনো শকুনের মতো পাখা মেলে
উড়ে যাব অলকায় দুপুরের কাঁচা সোনা রোদে,
কবিত্বের সেই বড়াই সাজে না আমার। ভালো তাই
লাগে না এখন আর মসৃণ শব্দের খেলা শুধু।
কথায় ভেজে না চিঁড়ে—ধনমান-প্রেম নয়, নয়,
চেয়েছি তো ডালভাত আর একটু আশ্রয়।
সোনায় বাঁকানো ঘাড় সোজা যদি না হয় হোক,
মই পড়ে পড়ে যার পাকা ধানে তার লাঙলে কাস্তেতে
ধার দিতে ক্ষয়ে যদি যায় যাক কলমের শাণ,
আমরা না হয় বাঁধি বাসা, আগামীরা গাবে গান।
Related Articles
কবি মলয় রায়চৌধুরিকে
হে কবি হে মোর প্রিয় কবি তুমি পুরুষের কামনার প্রতীক চির যুবক আগুনের ঘোড়া, মূর্ত যৌবনের রূপ। একদা তোমাকেই লিখেছিলামঃ তোমার পিছু আমি ছাড়বনা। কিছুতেই না। আনাচে কানাচে গলি ঘুঁজিতে অথবা জঙ্গলে। সহুরে দিন গুজরোনোর ফাঁকে ফোকোড়ে, গেঁয়ো হাঁসির ছাতা পড়া দাঁতে অথবা নীল সমুদ্দুরের ওপারে গোলাপী চামড়ার জামায়। যখন যেখানেই থাকো। এ পাড়ায় বা ও […]
জীবনানন্দের সাথে জোছনায়
জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ, সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন, নিড়ানি দাও, সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে। আমি বললাম, চাবিটা দিন এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে, হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই, পকেট থেকে রুমাল বের করে তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন বনলতার প্রেম। […]
একটি সন্তানসম্ভবা পাখির গল্প
একজন পাখি বিশারদ আমাকে বলেছিলেন-, পাখিদের আপনি বিশ্বাস করতে পারেন। ওরা কখনও মিথ্যা কথা বলে না। সম্প্রতি আমি হাতে নাতে তার প্রমাণ পেয়েছি। নয়াগাঁওয়ের এই নতুন বাড়িটিতে আসার পর বেশ ক’জন পাখির সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বাবুই পাখির সঙ্গে গড়ে উঠেছে আমার খুব বিশেষ সম্পর্ক। আমরা পরস্পরকে ভালোবেসে ফেলেছি। এখন আর আমাদের […]

