আমাকে বোলো না বন্ধু আর শুদ্ধ কবিতা লিখতে।
বয়ঃসন্ধি-সমাগতা খুঁতখুঁতে কোনো কুমারীর
ভয় ভাঙানো অথবা বদরাগী বিষণ্ন বৃদ্ধের
নিরামিষ রিরংসা মেটাতে আজ আর সাধ নেই।
সাধ নেই সময়ের ঘোলা জলে সাদা পাল তুলে
ভেসে যেতে সেই দেশে যে দেশকে রাঙাপুর বলে,
মড়ি ছেড়ে ওঠা কোনো শকুনের মতো পাখা মেলে
উড়ে যাব অলকায় দুপুরের কাঁচা সোনা রোদে,
কবিত্বের সেই বড়াই সাজে না আমার। ভালো তাই
লাগে না এখন আর মসৃণ শব্দের খেলা শুধু।
কথায় ভেজে না চিঁড়ে—ধনমান-প্রেম নয়, নয়,
চেয়েছি তো ডালভাত আর একটু আশ্রয়।
সোনায় বাঁকানো ঘাড় সোজা যদি না হয় হোক,
মই পড়ে পড়ে যার পাকা ধানে তার লাঙলে কাস্তেতে
ধার দিতে ক্ষয়ে যদি যায় যাক কলমের শাণ,
আমরা না হয় বাঁধি বাসা, আগামীরা গাবে গান।
Related Articles
কখনো চোখের জল
কখনো চোখের জল ফেলতে নেই ভাতের থালায় তাহলে সে-জল গিয়ে শ্রীভগবানের হাতে পড়ে হাতে ফোস্কা পড়ে যায়, তিনিও তো খেতে বসেছেন তাঁর সেদিন খাওয়া হয় না। তিন দিন হাতে ব্যথা থাকে। শ্রমভাগ্যে যা এসেছে দুমুঠো চারমুঠো তাতে খুশি থাকতে হয় খুশি যদি না-ও থাকি তবুও ভাতের সামনে বসে অন্তত ভাতের সামনে বসে আর অভিযোগ করতে […]
নিজের সঙ্গে
আকাশের কোলে মেঘের স্তম্ভ বিদ্যুৎ চমকায় বুঝি ওই আসে কাল বৈশাখী দমকে গমকে ধবংসের গরিমায়। ঝরো বৃষ্টির ঘূর্নি উঠেছে- মাথা খুঁটে গাছপালা, বাজে ধমকে গমকে কাঁপছে আমার বুকের জ্বালা। কালো হয়ে আসে মেঘের স্তম্ভ, নাচের মুদ্রা তুলে নাচে নটরাজ দু’পায়ে আওয়াজ হাত দুটি তুলে ঐ কারা যেন বলে আমি তো এখানে ঝনজা কেহ নই নাচের […]
শান্তির ডিক্রি
নিজের হাতে জমি চাষ করেন এমন একজন সাধারণ কৃষককে জিজ্ঞেস করুন, আপনি কি চান শান্তি? তাঁর উত্তর হবে: এই তো আমার সবচেয়ে প্রিয় চাওয়া। চাই, প্রাণপণে চাই, শতমুখে চাই। জিজ্ঞেস করুন কারখানার একজন সাধারণ শ্রমিককে, আপনি কী চান? তারও উত্তর হবে – শান্তি …. একটু শান্তির জন্যই তো এই অহোরাত্র শ্রম। জিজ্ঞেস করুন একটি বনের […]

