আমাকে বোলো না বন্ধু আর শুদ্ধ কবিতা লিখতে।
বয়ঃসন্ধি-সমাগতা খুঁতখুঁতে কোনো কুমারীর
ভয় ভাঙানো অথবা বদরাগী বিষণ্ন বৃদ্ধের
নিরামিষ রিরংসা মেটাতে আজ আর সাধ নেই।
সাধ নেই সময়ের ঘোলা জলে সাদা পাল তুলে
ভেসে যেতে সেই দেশে যে দেশকে রাঙাপুর বলে,
মড়ি ছেড়ে ওঠা কোনো শকুনের মতো পাখা মেলে
উড়ে যাব অলকায় দুপুরের কাঁচা সোনা রোদে,
কবিত্বের সেই বড়াই সাজে না আমার। ভালো তাই
লাগে না এখন আর মসৃণ শব্দের খেলা শুধু।
কথায় ভেজে না চিঁড়ে—ধনমান-প্রেম নয়, নয়,
চেয়েছি তো ডালভাত আর একটু আশ্রয়।
সোনায় বাঁকানো ঘাড় সোজা যদি না হয় হোক,
মই পড়ে পড়ে যার পাকা ধানে তার লাঙলে কাস্তেতে
ধার দিতে ক্ষয়ে যদি যায় যাক কলমের শাণ,
আমরা না হয় বাঁধি বাসা, আগামীরা গাবে গান।
Related Articles
জ্যোৎস্নার অত্যাচার
জ্যোৎস্না আমাকে ঠেলে ফেলে দিলো ফুটপাথে ল্যাম্পপোস্টে সবগুলো গাছের চূড়ায় এই রাতে। আমি জামা খুলে ঘুমাতে যাবার আগে জানালায় অনভ্যাসে দাঁড়িয়েছিলাম আর অমনি জ্যোৎস্না ধাক্কা দিলো এ কী অধঃপতন আমার! ড্রেন ডাস্টবিন একেকটি পদ্মের মতোন ফুটে আছে জ্যোৎস্নায় সাইরেন সানইয়ের সুর আমাকে বাজিয়ে চলে অন্ধ এক শিল্পীর আঙুল আমার সমস্ত পাপ এই রাতে জ্বলজ্বলে নক্ষত্র […]
দহন……নীলাঞ্জনা নীলা
একাকী নিঃশ্বাস পুড়িয়ে দিক , জ্বালিয়ে দিক , চতুর্দিক— অরণ্য যদি জ্বলতে পারে সহস্র কোটি দূরত্ত্বে থাকা সূর্যের আলোয় , নিঝুম রাত যদি অন্ধকারে পথ চলতে পারে জ্বলন্ত দিনকে বুকে নিয়ে নির্ঘূম— তাহলে , উত্তপ্ত নিঃশ্বাস কম করে হলেও একটি ফোষ্কা ফেলতে পারে , পারুক । যে ভালোবাসার বদলে ভালোবাসা দিতে অনিচ্ছুক । তার কাছে […]
বোবা মেয়েটিকে
তোমার পৃথিবী নিঃশব্দচারী রাতের করতল দেখে, শব্দহীন একা তুমি। নিঃশব্দে ভেসে যাও আলোকিত স্বপ্নের বেহুলা ভেলায়। আর অন্ধকার তোমার শব্দহীনতায় হাসে, যেন কংস প্রতিবাদহীন পজার সম্মুখে, তুমি পার না থামাতে তার হাসি, পার না দিতে নিস্তব্ধতার বধির প্রান্তরে কোন অখিল সীমানা। তোমার নিস্তব্ধতা ক্রমশ বিস্তারিত হচ্ছে আলো থেকে অন্ধকারে অস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব ভাঙনের ঢলে, তুমি […]

