এই রাত্রি নিঃস্ব। খোলা আকাশকে মুখোমুখি রেখে
শূন্যতার মাঝখানে অবলম্বনহীন ভেসে আছি।
অনন্তশয়ানছবি, দূরে দূরে বুদবুদের মতো
তারাগুলি ধরে আছে সাবেকযুগের কাতরতা।
বিশ্বাস? কোথায় তার বাসা ছিল ভেবেছ কখনো?
আঘাত কোথায়? সে কি ডমরুর মতো বেজে ওঠে?
তোমার মুখের ডৌল মাঝো মাঝে তবু মনে পড়ে
কালরাত্রে, প্রবাহণে, আগুনে না অবিমৃশ্য ঝড়ে—
তুৃৃমিহীন তুমি দিয়ে ভরে রাখি যা ভরার নয়
আজ শুধু মনে পড়ে আমার সমস্ত অপচয়।
Related Articles
কথোপকথন-৫
আমি তোমার পান্থপাদপ তুমি আমার অতিথ্ শালা । হঠাৎ কেন মেঘ চেঁচালো -দরজাটা কই,মস্ত তালা? তুমি আমার সমুদ্রতীর আমি তোমার উড়ন্ত চুল। হঠাৎকেন মেঘ চেঁচালো -সমস্ত ভুল,সমস্ত ভুল? আমি তোমার হস্তরেখা তুমি আমার ভর্তি মুঠো। হঠাৎ কেন মেঘ চেঁচালো -কোথায় যাবি নৌকা ফুটো।
অবেলায় শঙ্খধ্বনি
অতোটা হৃদয় প্রয়োজন নেই, কিছুটা শরীর কিছুটা মাংস মাধবীও চাই। এতোটা গ্রহণ এতো প্রশংসা প্রয়োজন নেই কিছুটা আঘাত অবহেলা চাই প্রত্যাখান। সাহস আমাকে প্ররোচনা দেয় জীবন কিছুটা যাতনা শেখায়, ক্ষুধা ও খরার এই অবেলায় অতোটা ফুলের প্রয়োজন নেই। বুকে ঘৃণা নিয়ে নীলিমার কথা অনাহারে ভোগা মানুষের ব্যথা প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন নেই- করুণাকাতর বিনীত বাহুরা ফিরে […]
একি অমঙ্গল
তোমার হাতে ছুঁচ-সুতোটি আমার হাতে ফুল দেখতে পেয়েই আকাশ জুড়ে হিংসা হুলুস্থুল। তোমার হাতে রঙের বাটি আমার হাতে তুলি দেখতে পেয়েই শুকনো মড়া চোখে জ্বালায় চুলি। তোমার হাতে ধান-দুর্বো আমার হাতে শাঁখ দেখতে পেয়েই আকাশ চিরে শকুন পাড়ে হাঁক। তোমার হাতে জলের ঘাট আমার ঠোঁটে জল দেখতে পেয়েই দৈববাণী: এ কি অমঙ্গল! Eki Omongol

