হারিয়ে কানের সোনা এ-বিপাকে কাঁদো কি কাতরা?
বাইরে দারুন ঝড়ে নুরে পড়ে আনাজের ডাল,
তস্করের হাত থেকে জেয়র কি পাওয়া যায় ত্বরা –
সে কানেট পরে আছে হয়তো বা চোরের ছিনাল !
পোকায় ধরেছে আজ এ দেশের ললিত বিবেকে
মগজ বিকিয়ে দিয়ে পরিতৃপ্ত পন্ডিত সমাজ।
ভদ্রতার আবরণে কতদিন রাখাযায় ঢেকে
যখন আত্মায় কাঁদে কোনো দ্রোহী কবিতার কাজ?
ভেঙ্গোনা কাঁচের চুড়ি, ভরে দেবো কানের ছেঁদুর
এখনো আমার ঘরে পাওয়া যাবে চন্দনের শলা,
ধ্রুপদের আলাপনে অকস্মাৎ ধরেছি খেউড়
ক্ষমা করো হে অবলা, ক্ষিপ্ত এই কোকিলের গলা।
তোমার দুধের বাটি খেয়ে যাবে সোনার মেকুর
না দেখার ভান করে কতকাল দেখবে, চঞ্চলা?
Related Articles
সন্ধ্যা ও প্রভাত
এখানে নামল সন্ধ্যা। সূর্যদেব, কোন্ দেশে, কোন্ সমুদ্রপারে, তোমার প্রভাত হল। অন্ধকারে এখানে কেঁপে উঠছে রজনীগন্ধা, বাসরঘরের দ্বারের কাছে অবগুণ্ঠিতা নববধূর মতো; কোন্খানে ফুটল ভোরবেলাকার কনকচাঁপা। জাগল কে। নিবিয়ে দিল সন্ধ্যায়-জ্বালানো দীপ, ফেলে দিল রাত্রে-গাঁথা সেঁউতিফুলের মালা। এখানে একে একে দরজায় আগল পড়ল, সেখানে জানলা গেল খুলে। এখানে নৌকো ঘাটে বাঁধা, মাঝি ঘুমিয়ে; সেখানে পালে […]
ঝংকার তোলে কাব্যের রানি
আমি কবি। আমি কথা বলে যাই নিজের ছন্দে আমার শব্দ আমারই গন্ধে— আনন্দে মাতে—দু-হাত তুলে; নূপুর ঘুঙুর কে পরেছে পায়—নৃত্যপরা নাচের মুদ্রা ঘুরে ঘুরে শুধু দিচ্ছে ধরা কী নাম তোমার, কোথায় বা ধাম। কীবা পরিচয়? তবু বলি জয় তোমার বিজয় আসছে ধীরে, নৃত্যের ঢেউয়ে খেলছে দেহের অঙ্গ বুঝি তালে তালে নাচো তরঙ্গ তুলে। আসুক ফিরে— […]
সেদিন বিকেলবেলা
সাতশো একান্নতম আনন্দটি পেয়েছি সেদিন যখন বিকেলবেলা মেঘ এসে ঝুঁকে পড়েছিল গোলাপ বাগানে এবং তোমার পায়ে ফুটে গেল লক্ষ্মীছাড়া কাঁটা! তখন বাতাসে ছিল বিহ্্লতা, তখন আকাশে ছিল কৃষ্ণক্লান্তি আলো, ছিল না রঙের কোলাহল ছিল না নিষেধ- অতটুকা ওষ্ঠ থিকে অতখানি হাসির ফোয়ারা মন্দিরের ভাস্কর্যকে ম্লান করে নতুন দৃুশ্যটি। এর পরই বৃষ্টি আসে সাতশো বাহান্ন সঙ্গে […]

