ভালোবাসা সবই খায় – এঁটো পাতা, হেমন্তের খড়
রুগ্ন বাগানের কোণে পড়ে থাকা লতার শেকড়
সবই খায়, খায় না আমাকে
এবং হাঁ করে রোজ আমারই সন্মুখে বসে থাকে।
আমি একটু একটু করে তাকে অবসন্ন হাওয়া দিতে পারি
একটু এনে দিতে পারি আমরুলের পাতার প্রকৃতি
স্মৃতির কাঁথায় তার স্পর্শ – যিনি উপস্থিত নেই
এইসব – দিতে পারি, এতে কি শ্রীমুখ ফেরাবে?
আমার ভিতরে কোনো গোলযোগ নেই, প্রেম নেই
অন্যমনস্কতা লেগে আমার ভিতরে হয়ে হয়ে নেই
কিছু বা পাথর, নেই ফুটোফাটা, ফেলে রাখা ধুলো
আমার ভিতরে আছে সর্বাঙ্গে রঙীন পথগুলো
এতে সবই হবে।
Related Articles
এই শীতে কোন্ আঁধি
কখন কার চোখে কোন্ সে আলো লাগে, বঁধুর জানা আছে?-কারো কি জানা থাকে, আলোর উৎসটি কোন্ সে দিক থেকে কার যে চোখে লাগে কেউ কি জানে নাকি? যদি বা জানা যেতো না হয় তদবির কিংবা তদারকি মানুষ করে যেতো- মানুষ অসহায় দৈব অজানা যে! বঁধুর দুই চোখে কোন্ সে আলো লাগে, কেউ কি খোঁজ রাখে: […]
মানষ প্রতিবিম্ব
আজকাল… নিজেকে বড্ড বেশি অচল মনে হয় ! অচল আধুলির মত! যার কোনো ঠিকানা নেই ! কোনো বন্ধু নেই ! কোনো প্রিয়জন নেই! কোন গন্তব্য নেই–একটু স্থির হয়ে বসার ! মূল্যহীন মনে হয় চারপাশের মানুষের মাঝে! অথচ… আমি কোনো পাপ করিনি কোনো দিন ! কাওকে ঠকাইনি ! কারও বাড়া ভাতে বালি দেই নি ! আমার […]
আমরা এসেছি
কারা যেন আজ দুহাতে খুলেছে, ভেঙেছে খিল, মিছিলে আমারা নিমগ্ন তাই দোলে মিছিল। দুঃখ-যুগের দারায় দারায় যারা আনে প্রাণ, যারা তা হারায় তারাই ভরিয়ে তুলেছে সাড়ায় হৃদয়-বিল। তারাই এসেছে মিছিলে, আজকে চলে মিছিল- কে যেন ক্ষুব্ধ ভোমরার চাকে ছুঁড়েছে ঢিল, তাইতো দগ্ধ, ভগ্ন, পুরনো পথ বাতিল। আশ্বিন থেকে বৈশাখে যারা হাওয়ার মতন ছুটে দিশেহারা, হাতের […]

