ভালোবাসা সবই খায় – এঁটো পাতা, হেমন্তের খড়
রুগ্ন বাগানের কোণে পড়ে থাকা লতার শেকড়
সবই খায়, খায় না আমাকে
এবং হাঁ করে রোজ আমারই সন্মুখে বসে থাকে।
আমি একটু একটু করে তাকে অবসন্ন হাওয়া দিতে পারি
একটু এনে দিতে পারি আমরুলের পাতার প্রকৃতি
স্মৃতির কাঁথায় তার স্পর্শ – যিনি উপস্থিত নেই
এইসব – দিতে পারি, এতে কি শ্রীমুখ ফেরাবে?
আমার ভিতরে কোনো গোলযোগ নেই, প্রেম নেই
অন্যমনস্কতা লেগে আমার ভিতরে হয়ে হয়ে নেই
কিছু বা পাথর, নেই ফুটোফাটা, ফেলে রাখা ধুলো
আমার ভিতরে আছে সর্বাঙ্গে রঙীন পথগুলো
এতে সবই হবে।
Related Articles
আরো একজন
যেখানেই যাও তুমি, যেখানেই যাও সঙ্গে যায় আরো একজন; যদিও অদূরে তবু তার দূরত্ব ভীষণ। যেখানেই দৃষ্টি দাও, যেখানেই দাও দৃষ্টি দেয় আরো একজন; যদিও সুনীল তবু সেখানেই মেঘের গড়ন। যাকেই যে কথা বলো, যাকেই যে কথা শুনে যায় আরো একজন; যদিও নিশ্চুপ তবু অবিরাম পদ্মার ভাঙন। যেখানেই রাখো হাত, যেখানেই রাখো রাখে হাত আরো […]
কাঁপুনি
শেষ হয়নি কি, আমাদের দেয়া-নেয়া? হাত তুলে আছে, পাড়ানি মেয়েটি বিদায়ের শেষ খেয়া, ডাকছে আমাকে হাঁকছে আমাকে আমিই শেষের লোক। শ্লোক শেষ হলো, অন্ত-মিলেরও শেষ। কাঁপছে নায়ের পাটাতন বুঝি ছেড়ে যেতে উৎসুক। আমি চলে গেলে এ পারে আঁধারে কেউ থাকবে না আর সব ভেসে গেছে এবার তবে কি ভাসাবো অন্ধকার? আলো-আঁধারির এই খেলা তবে আমাকে […]
পুজারিনী
এত দিনে অবেলায়- প্রিয়তম! ধূলি-অন্ধ ঘূর্ণি সম দিবাযামী যবে আমি নেচে ফিরি র”ধিরাক্ত মরণ-খেলায়- এ দিনে অ-বেলায় জানিলাম, আমি তোমা’ জন্মে জন্মে চিনি। পূজারিণী! ঐ কন্ঠ, ও-কপোত- কাঁদানো রাগিণী, ঐ আখি, ঐ মুখ, ঐ ভুর”, ললাট, চিবুক, ঐ তব অপরূপ রূপ, ঐ তব দোলো-দোলো গতি-নৃত্য দুষ্ট দুল রাজহংসী জিনি’- চিনি সব চিনি। তাই আমি এতদিনে […]

