ভালোবাসা সবই খায় – এঁটো পাতা, হেমন্তের খড়
রুগ্ন বাগানের কোণে পড়ে থাকা লতার শেকড়
সবই খায়, খায় না আমাকে
এবং হাঁ করে রোজ আমারই সন্মুখে বসে থাকে।
আমি একটু একটু করে তাকে অবসন্ন হাওয়া দিতে পারি
একটু এনে দিতে পারি আমরুলের পাতার প্রকৃতি
স্মৃতির কাঁথায় তার স্পর্শ – যিনি উপস্থিত নেই
এইসব – দিতে পারি, এতে কি শ্রীমুখ ফেরাবে?
আমার ভিতরে কোনো গোলযোগ নেই, প্রেম নেই
অন্যমনস্কতা লেগে আমার ভিতরে হয়ে হয়ে নেই
কিছু বা পাথর, নেই ফুটোফাটা, ফেলে রাখা ধুলো
আমার ভিতরে আছে সর্বাঙ্গে রঙীন পথগুলো
এতে সবই হবে।
Related Articles
প্রেমেই বৃদ্ধি পরমায়ু
লোকে কয়— প্রেমেই নাকি বৃদ্ধি হয় পরমায়ু স্নায়ুর ভেতর খেলতে থাকে নানান তৃষ্ণা কেউবা শ্যামল কেউবা শাদা কেউবা কৃষ্ণা— তবু প্রেমের নাই বিতৃষ্ণা। বাছাই করতে পারলে তবে ধরতে যেন ইচ্ছে হবে, ছুঁয়ে দেখতে মনটা ব্যাকুল, পরাণ কাঁপে— হাঁটতে গেলে ইচ্ছে করে ছুঁয়ে দেখি, আরে আরে আমি তবে করছি একি! এ কভু নয় আমার লজ্জা-শরম ও […]
প্রবাস
যাবে কি এবার বসন্তেই আসছে শ্রাবনে এসেছে শ্রাবণ, শোনো মেঘের গর্জন আর দু’টো মাস আশ্বিনের শাদা মেঘে ভরুক প্রবাস আশ্বিনেও লেগেছিল লোভ শীত মদালসা ফেরার অনৈক্য ছিল গ্রীষ্মে কেটেছে বছর এমনকি শেষ দিনে এলো ঘূর্ণিঝড়! যাবে কি শতাব্দী সাঙ্গ হলে? না, না, তার আগে অস্থিরতা রোগে কম্পমান আর দেরি নেই প্রাক্তন স্বদেশে ফেরা এই মুহূর্তেই!
আমি একটুখানি দাঁড়াব
আমি একটুখানি দাঁড়াব এবং দাঁড়িয়ে চলে যাব; শুধু একটু থেমেই আমি আবার এগিয়ে যাব; না, আমি থেকে যেতে আসিনি; এ আমার গন্তব্য নয়; আমি এই একটুখানি দাঁড়িয়েই এখান থেকে চলে যাব। আমি চলে যাব তোমাদের এই শহরের ভেতর দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি এর মার্চপাস্টের যে সমীকরণ এবং এর হেলিকপ্টারের যে চংক্রমণ, তার তল দিয়ে তড়িঘড়ি; আমি […]

