আমরা দুজনা স্বর্গ-খেলনা
গড়িব না ধরণীতে,
মুগ্ধ ললিত অশ্রুগলিত গীতে।
পঞ্চশরের বেদনামাধুরী দিয়ে
বাসররাত্রি রচিব না মোরা প্রিয়ে;
ভাগ্যের পায়ে দুর্বলপ্রাণে
ভিক্ষা না যেন যাচি।
কিছু নাই ভয়, জানি নিশ্চয়
তুমি আছ, আমি আছি।
উড়াব ঊর্ধ্বে প্রেমের নিশান
দুর্গম পথমাঝে
দুর্দম বেগে, দুঃসহতম কাজে।
রুক্ষ দিনের দুঃখ পাই তো পাব,
চাই না শান্তি, সান্ত্বনা নাহি চাব।
পাড়ি দিতে নদী হাল ভাঙে যদি,
ছিন্ন পালের কাছি,
মৃত্যুর মুখে দাঁড়ায়ে জানিব–
তুমি আছ, আমি আছি।
দুজনের চোখে দেখেছি জগৎ,
দোঁহারে দেখেছি দোঁহে–
মরুপথতাপ দুজনে নিয়েছি সহে।
ছুটি নি মোহন-মরীচিকা-পিছে-পিছে,
ভুলাই নি মন সত্যেরে করি মিছে–
এই গৌরবে চলিব এ ভবে
যতদিন দোঁহে বাঁচি।
এ বাণী, প্রেয়সী, হোক মহীয়সী–
তুমি আছ, আমি আছি।
Related Articles
অন্ধজনে দেহো আলো,
অন্ধজনে দেহো আলো, মৃতজনে দেহো প্রাণ– তুমি করুণামৃতসিন্ধু করো করুণাকণা দান ॥ শুষ্ক হৃদয় মম কঠিন পাষাণসম, প্রেমসলিলধারে সিঞ্চহ শুষ্ক নয়ান ॥ যে তোমারে ডাকে না হে তারে তুমি ডাকো-ডাকো। তোমা হতে দূরে যে যায় তারে তুমি রাখো রাখো। তৃষিত যেজন ফিরে তব সুধাসাগরতীরে জুড়াও তাহারে স্নেহনীরে, সুধা করাও হে পান ॥ তোমারে পেয়েছিনু যে, […]
দূরে কোথায় দূরে দূরে
দূরে কোথায় দূরে দূরে আমার মন বেড়ায় গো ঘুরে ঘুরে। যে বাঁশিতে বাতাস কাঁদে সেই বাঁশিটির সুরে সুরে ॥ যে বাঁশিতে বাতাস কাঁদে সেই বাঁশিটির সুরে সুরে॥ যে পথ সকল দেশ পারায়ে উদাস হয়ে যায় হারায়ে সে পথ বেয়ে কাঙাল পরান যেতে চায় কোন্ অচিনপুরে ॥ রাগ: ভৈরবী তাল: মুক্তছন্দ রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1318 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1911 স্বরলিপিকার: সুধীরচন্দ্র কর […]
দে তোরা আমায় নূতন ক’রে দে নূতন আভরণে
দে তোরা আমায় নূতন ক’রে দে নূতন আভরণে॥ হেমন্তের অভিসম্পাতে রিক্ত অকিঞ্চন কাননভূমি, বসন্তে হোক দৈন্যবিমোচন নব লাবণ্যধনে। শূন্য শাখা লজ্জা ভুলে যাক পল্লব-আবরণে॥ বাজুক প্রেমের মায়ামন্ত্রে পুলকিত প্রাণের বীণাযন্ত্রে চিরসুন্দরের অভিবন্দনা। আনন্দচঞ্চল নৃত্য অঙ্গে অঙ্গে বহে যাক হিল্লোলে হিল্লোলে, যৌবন পাক সম্মান বাঞ্ছিতসম্মিলনে॥ dey tora amay nuton kore (rabindra sangeet) by jayati chakroborty

