বাদল-ধারা হল সারা, বাজে বিদায়-সুর।
গানের পালা শেষ ক’রে দে রে, যাবি অনেক দূর॥
ছাড়ল খেয়া ও পার হতে ভাদ্রদিনের ভরা স্রোতে রে,
দুলছে তরী নদীর পথে তরঙ্গবন্ধুর॥
কদমকেশর ঢেকেছে আজ বনতলের ধূলি,
মৌমাছিরা কেয়াবনের পথ গিয়েছে ভুলি।
অরণ্যে আজ স্তব্ধ হাওয়া, আকাশ আজি শিশির-ছাওয়া রে
আলোতে আজ স্মৃতির আভাস বৃষ্টির বিন্দুর॥
Related Articles
আমি কী গান গাব যে ভেবে না পাই
আমি কী গান গাব যে ভেবে না পাই- আমি কী গান গাব যে ভেবে না পাই- মেঘলা আকাশে উতলা বাতাসে খুঁজে বেড়াই॥ কী গান গাব যে ভেবে না পাই- বনের গাছে গাছে জেগেছে ভাষা ভাষাহারা নাচে– মন ওদের কাছে বনের গাছে গাছে জেগেছে ভাষা ভাষাহারা নাচে– মন ওদের কাছে চঞ্চলতার রাগিণী যাচে, সারা দিন বিরামহীন […]
আমারে দিই তোমার হাতে
আমারে দিই তোমার হাতে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ দিনে দিনেই ফুল যে ফোটে, তেমনি করেই ফুটে ওঠে জীবন তোমার আঙিনাতে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ বিচ্ছেদেরই ছন্দে লয়ে মিলন ওঠে নবীন হয়ে। আলো-অন্ধকারের তীরে হারায়ে পাই ফিরে ফিরে, দেখা আমার তোমার সাথে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ রাগ: ভৈরবী তাল: তেওরা রচনাকাল […]
শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে
শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে তোমারি সুরটি আমার মুখের ‘পরে, বুকের ‘পরে ॥ পুরবের আলোর সাথে পড়ুক প্রাতে দুই নয়ানে– নিশীথের অন্ধকারে গভীর ধারে পড়ুক প্রাণে। নিশিদিন এই জীবনের সুখের ‘পরে দুখের ‘পরে শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে। যে শাখায় ফুল ফোটে না, ফল ধরে না একেবারে, তোমার ওই বাদল-বায়ে দিক […]

