মিতা
কোথায় যে যাই,কী যে চাই কিছুই বুঝতে পারি না। কোনব্যাপারেই মনসংযোগ করতে পারি না।কী কোন কাজে,কী কোন যায়গাতে,কী কোন পুরুষ বা নারীতে আদৌ একনিষ্ট হতে পারি না। গন্তব্যে পৌঁছে গেলেই মনে হয় এখানে তো চাইনি আসতে।তাই পৌঁছে আবার রওনা হই,কোথায় যাব,যেতে চাই তা না জেনেই।
যেখানে আদর পাই, ভালোবাসা পাই, যত্ন পাই, যেখানে প্রাধান্য পাই; ঠিক সেখান থেকেই ভালোবাসার, সন্মানের, আঙ্গুল থেকে আঙ্গুল ছাড়িয়ে নিয়েই আমি অন্যত্র দৌঁড়ে যাই,অন্যত্র পৌঁছে আবার দৌড়াই।
ফিরে যখন যাই সেই নিশ্চিত উষ্ণতার দিকে তখন পৌঁছে দেখি আমার আগেই সেখানে পৌঁছে গেছে শীতের হিমেল রাত।
দিন ফেলে রাতে দৌড়াই; রাত ফেলে দিনে। শরীর ফেলে মনে দৌড়াই; মন ফেলে শরীরে।সব পাই,আবার কিছুমাত্রও পাই না।
Related Articles
এই নরকের এই আগুন
ভীরু বালকেরে বাড়ীঘর দাও মাতৃনিবাসে মেট্রন দাও পার্কে ছড়াও যুঁইফুল ঘাস অনিদ্র, জোড়াখুন হোক একটু ভদ্র কবিরা লিখুক দু’এক ছত্র প্রেমের গান! হে মেঘ, প্লাবন বৃষ্টি দাও গলাকাটা দিন সুদূরে সরাও- নারীর মতো পেটে তুলে নাও সুসন্তান! ক্ষণিক আমরা, ভালোবাসা থাক পথে পরাজিত হাওয়া সরে যাক পাতা ঝরাদের দলীয় ঝগড়া, অসম্মান! যা কিছু অমল ধবল […]
ক্রিকেটাঙ্গনে সাহিত্য কিংবা সাহিত্যাঙ্গনে ক্রিকেট
মার্কিন ঔপন্যাসিক বারনার্ড মালামুডের নেচারাল (১৯৮০) নামের উপন্যাসটি বেইসবল খেলার এক নায়ককে নিয়ে। বেইসবল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান খেলা। বইটি পড়ার সময় আমি কানাডায় ছিলাম, তাই টিভির মাধ্যমে খেলাটির সঙ্গে ক্রমেই পরিচিত হয়ে উঠছিলাম। উপন্যাসটির মূল থিম ছিল নায়কের বেইসবল খেলায় বীরোচিত প্রত্যাবর্তন। সব মহৎ সাহিত্য বস্তুত বীরধর্মী। আর সব খেলাও মূলত বীরধর্মী। সে জন্য সাহিত্য […]

