আমি সেই অবহেলা
আমি সেই নতমুখ
নিরবে ফিরে যাওয়া
অভিমান ভেজা চোখ
আমাকে গ্রহন কর
উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া
আমি সেই প্রত্যাখ্যান
আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে
নেয়া ঘোলাটে চাঁদ
আমাকে আর কী বেদনা দেখাবে
তপ্ত শীশার মতন পুড়ে পুড়ে একদিন
পাথর হয়েছি শেষে
হয়েছি জমাট শিলা
তবু সেই পাথরের অন্তর থেকে কেঁদে ওঠে
একরাশ জলের আকুতি
ঝর্ণার মত নেমে যেতে চায় কিছু মাটির শরীরে
আমি সেই অবহেলা
সেই নতমুখ
পাথরের নিচের করুন বেদনার জল
আমাকে গ্রহন করো ”
Related Articles
নত হও, কুর্নিশ করো
হে কলম, উদ্ধত হ’য়ো না, নত হও, নত হতে শেখো, তোমার উদ্ধত আচরনে চেয়ে দ্যাখো, কী যে দু:খ পেয়েছেন ভদ্রমহোদয়গণ, অতএব, নত হও, বিনীত ভঙিতে করজোড়ে ক্ষমা চাও, পায়ে পড়ো, বলো: কদ্যপি এমনটি হবে না, স্যার, বলো: মধ্যবিত্ত হে বাঙালী ভদ্রমহোদয়গণ, এবারকার মতো ক্ষমা করে দিন… বলো হে কলম, হে বলপেন, হে আমার বর্বর প্রকাশ-ভঙিমা- […]
শব্দ
ঝটিঙ্গা নামের এক দুর্দান্ত পাহাড়ী নদীর পাশে হারাঙ্গাজাও নামে একটা নম্র ছিমছাম স্টেশন পাথুরে প্ল্যাটফর্মে একজন রেলবাবু কাঁঠালের দর করছেন আমাদের কামরায় পর্যাপ্ত ভিড় ও হাতকড়া বাঁধা দু‘জন খুনী আসামী এবং উজ্জল স্কার্ট-পরা চারটি সুস্বাস্থ্যবতী অহঙ্কারী খাসিয়া তরুণী, কয়েকজন শিখ সৈনিক, মনুষ নামের অসংখ্য মানুষ আর দু’পাশে বিশাল বিশাল আদিম, পাহাড় ও চাপ চাপ বিশৃঙ্খল […]
হেমন্তের আলোর ভিতর
তোমার হাতে তোমার নতুন নামটা দিতে চাই আমার গিফট তুমি হাসতে হাসতে বলেছ : আমার গিফট আমাকে দাও আমার গিফট তোমার আঙ্গুলে আংটির মতো জ্বলজ্বল করে হেমন্তের আলো চারপাশে নরম মদির মায়াবী আমরা হাসতে হাসতে অনেকদূর চলে যাই হেমন্তের আলোর ভিতর, আমার ভিতর তুমি খুঁজে পাও হেমন্ত শেষের উজ্জ্বলতা।
One thought on “আমি সেই অবহেলা”
Comments are closed.


দাদা, আমার নাম জিহান আল হামাদী । অনেক ধন্যবাদ অনুরোধটি রাখার জন্য । :)