আমি সেই অবহেলা
আমি সেই নতমুখ
নিরবে ফিরে যাওয়া
অভিমান ভেজা চোখ
আমাকে গ্রহন কর
উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া
আমি সেই প্রত্যাখ্যান
আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে
নেয়া ঘোলাটে চাঁদ
আমাকে আর কী বেদনা দেখাবে
তপ্ত শীশার মতন পুড়ে পুড়ে একদিন
পাথর হয়েছি শেষে
হয়েছি জমাট শিলা
তবু সেই পাথরের অন্তর থেকে কেঁদে ওঠে
একরাশ জলের আকুতি
ঝর্ণার মত নেমে যেতে চায় কিছু মাটির শরীরে
আমি সেই অবহেলা
সেই নতমুখ
পাথরের নিচের করুন বেদনার জল
আমাকে গ্রহন করো ”
Related Articles
দৃষ্টিরিক্ত বদ্ধাকাশ
একটা জানালা ছিল- ছিল ঘরের ভেতর তোমার-আমার ছোট্ট বাসর, বাইরে ছিল বদ্ধ আকাশ, ঘুটঘুটে মেঘ আকাশে তারা ছিল কিনা জানিনা কিন্তু ঘরের ভেতর দুখানি হাত ছিল, বাঁধন ছিল, পরশ ছিল । ছিলনা তবু চোখের দেখা ও চোখ যে নীলিকায় ধরেছে ! মরচে পড়া দুই জোড়া চোখ তবু হাত ছাড়েনি, আলোর আকর্ষে উড়েনি তবু দিগভ্রান্ত […]
উচ্চারণগুলি শোকের
লক্ষি বউটিকে আমি আজ আর কোথাও দেখিনা, হাটি হাটি শিশুটিকে কোথাও দেখিনা, কতগুলি রাজহাঁস দেখি নরম শরীর ভরা রাজহাঁস দেখি, কতগুলি মুখস্থ মানুষ দেখি, বউটিকে কোথাও দেখিনা শিশুটিকে কোথাও দেখিনা ! তবে কি বউটি রাজহাঁস ? তবে কি শিশুটি আজ সবুজ মাঠের সূর্য, সবুজ আকাশ ? অনেক রক্ত যুদ্ধ গেলো, অনেক রক্ত গেলো, শিমুল তুলোর […]
রাশিয়ার চিঠি-কোরীয় যুবকের রাষ্ট্রিক মত
কোরীয় যুবকটি সাধারণ জাপানীর চেয়ে মাথায় বড়ো। ইংরেজি সহজে বলেন, উচ্চারণে জড়তা নেই। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলুম, “কোরিয়ায় জাপানী রাষ্ট্রশাসন তোমার পছন্দ নয়?” “না।” “কেন। জাপানী আমলে তোমাদের দেশে পূর্বেকার চেয়ে কি ব্যবস্থা ভালো হয় নি।” “তা হয়েছে। কিন্তু আমাদের যে দুঃখ সেটা সংক্ষেপে বলতে গেলে দাঁড়ায়, জাপানী রাজত্ব ধনিকের রাজত্ব। কোরিয়া তার মুনফার উপায়, […]
One thought on “আমি সেই অবহেলা”
Comments are closed.


দাদা, আমার নাম জিহান আল হামাদী । অনেক ধন্যবাদ অনুরোধটি রাখার জন্য । :)