আমি সেই অবহেলা
আমি সেই নতমুখ
নিরবে ফিরে যাওয়া
অভিমান ভেজা চোখ
আমাকে গ্রহন কর
উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া
আমি সেই প্রত্যাখ্যান
আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে
নেয়া ঘোলাটে চাঁদ
আমাকে আর কী বেদনা দেখাবে
তপ্ত শীশার মতন পুড়ে পুড়ে একদিন
পাথর হয়েছি শেষে
হয়েছি জমাট শিলা
তবু সেই পাথরের অন্তর থেকে কেঁদে ওঠে
একরাশ জলের আকুতি
ঝর্ণার মত নেমে যেতে চায় কিছু মাটির শরীরে
আমি সেই অবহেলা
সেই নতমুখ
পাথরের নিচের করুন বেদনার জল
আমাকে গ্রহন করো ”
Related Articles
মানবানল
৪৩. মানবানল আগুন আর কতোটুকু পোড়ে ? সীমাবদ্ধ ক্ষয় তার সীমিত বিনাশ, মানুষের মতো আর অতো নয় আগুনের সোনালি সন্ত্রাস। আগুন পোড়ালে তবু কিছু রাখে কিছু থাকে, হোক না তা শ্যামল রঙ ছাই, মানুষে পোড়ালে আর কিছুই রাখে না কিচ্ছু থাকে না, খাঁ খাঁ বিরান, আমার কিছু নাই। ৭.২.৮১
একজন্ম
অনেকদিন দেখা হবে না তারপর একদিন দেখা হবে। দু’জনেই দু’জনকে বলবো, ‘অনেকদিন দেখা হয়নি’। এইভাবে যাবে দিনের পর দিন বৎসরের পর বৎসর। তারপর একদিন হয়ত জানা যাবে বা হয়ত জানা যাবে না, যে তোমার সঙ্গে আমার অথবা আমার সঙ্গে তোমার আর দেখা হবে না।
মাংস, মাংস, মাংস…
আমাকে রাঙাতে পারে তেমন গোলাপ কখনও দেখি না। তবে কাকে, কখন, কোথায় ধরা দেবো? একমাত্র গোধূলি বেলায় সবকিছু বীরাঙ্গনার মতন রাঙা হয়ে যায়। শৈশবও ছিলো না লাল। তবে জানি, দেখেছিও, ছুরির উজ্জ্বলতা থেকে ঝরে পড়ে বিন্দু বিন্দু লাল ফোঁটা তবে হাত রাখবো ছুরির বাঁটে? সবুজ সতেজ- রূপালি রেকাবে রাখা পানের নিপুণ কোনো খিলি নয়, মাংস, […]
One thought on “আমি সেই অবহেলা”
Comments are closed.


দাদা, আমার নাম জিহান আল হামাদী । অনেক ধন্যবাদ অনুরোধটি রাখার জন্য । :)