কোনো এক ভোরবেলা, রাত্রিশেষে শুভ শুক্রবারে
মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ;
অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে
ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ।
ফেলে যাচ্ছি খড়কুটো, পরিধেয়, আহার, মৈথুন–
নিরুপায় কিছু নাম, কিছু স্মৃতি কিংবা কিছু নয়;
অশ্রুভারাক্রান্ত চোখে জমে আছে শোকের লেগুন
কার হাত ভাঙে চুড়ি? কে ফোঁপায়? পৃথিবী নিশ্চয়।
স্মৃতির মেঘলাভোরে শেষ ডাক ডাকছে ডাহুক
অদৃশ্য আত্মার তরী কোন ঘাটে ভিড়ল কোথায়?
কেন দোলে হৃদপিণ্ড, আমার কি ভয়ের অসুখ?
নাকি সেই শিহরণ পুলকিত মাস্তুল দোলায়!
আমার যাওয়ার কালে খোলা থাক জানালা দুয়ার
যদি হয় ভোরবেলা স্বপ্নাচ্ছন্ন শুভ শুক্রবার।
Related Articles
রিপোর্ট ১৯৭১
প্রাচ্যের গানের মতো শোকাহত, কম্পিত, চঞ্চল বেগবতী তটিনীর মতো স্নিগ্ধ, মনোরম আমাদের নারীদের কথা বলি, শোনো। এ-সব রহস্যময়ী রমণীরা পুরুষের কণ্ঠস্বর শুনে বৃক্ষের আড়ালে স’রে যায়- বেড়ার ফোঁকড় দিয়ে নিজের রন্ধনে তৃপ্ত অতিথির প্রসন্ন ভোজন দেখে শুধু মুখ টিপে হাসে। প্রথম পোয়াতী লজ্জায় অনন্ত হ’য়ে কোঁচরে ভরেন অনুজের সংগৃহীত কাঁচা আম, পেয়ারা, চালিতা- সূর্য্যকেও পর্দা […]
এই শ্রাবণের বুকের ভিতর আগুন আছে
সেই কবে ‘জ্যোতির্ময় রবি ও কালো মেঘের দল’ নামের একটি নাতিবৃহৎ বই হাতে এসেছিল— পাঠ শেষে এতটাই নির্বাক আর বাঙালি জিবের বিদ্বেষ-বিষের লালায় এতটাই আক্রান্ত হয়েছিলাম, কেন? বইটির শিরোনামই বলে দেয়; ‘জ্যোতির্ময় রবি’কে সারাটা জীবনে কতটা ঘাত-প্রতিঘাত সইতে হয়েছিল—সত্যি বলতে কি, রবি যখন আপন জ্যোতিতে দেদীপ্যমান তখন স্বদেশে তার সম্পর্কে কটু-কাটব্য, এমনকি ব্যক্তিগত শোক-দুঃখের মাঝেও […]
যে-ছাত্রীটি নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে
কী বুঝেছে সে-মেয়েটি ? সে বুঝেছে রাজুমামা মায়ের প্রেমিক। কী শুনেছে সে-মেয়েটি ? সে শুনেছে মায়ের শীৎকার। কী পেয়েছে সে-মেয়েটি ? ___ সে পেয়েছে জন্মদিন ? চুড়িদার, আলুকাবলি ___ কু-ইঙ্গিত মামাতো দাদার। সে খুঁজেছে ক্লাসনোট, সাজেশন ___ সে ঠেলেছে বইয়ের পাহাড় পরীক্ষা, পরীক্ষা সামনে ___ দিনে পড়া, রাতে পড়া ___ ও পাশের ঘর অন্ধকার অন্ধকারে […]


