কোনো এক ভোরবেলা, রাত্রিশেষে শুভ শুক্রবারে
মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ;
অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে
ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ।
ফেলে যাচ্ছি খড়কুটো, পরিধেয়, আহার, মৈথুন–
নিরুপায় কিছু নাম, কিছু স্মৃতি কিংবা কিছু নয়;
অশ্রুভারাক্রান্ত চোখে জমে আছে শোকের লেগুন
কার হাত ভাঙে চুড়ি? কে ফোঁপায়? পৃথিবী নিশ্চয়।
স্মৃতির মেঘলাভোরে শেষ ডাক ডাকছে ডাহুক
অদৃশ্য আত্মার তরী কোন ঘাটে ভিড়ল কোথায়?
কেন দোলে হৃদপিণ্ড, আমার কি ভয়ের অসুখ?
নাকি সেই শিহরণ পুলকিত মাস্তুল দোলায়!
আমার যাওয়ার কালে খোলা থাক জানালা দুয়ার
যদি হয় ভোরবেলা স্বপ্নাচ্ছন্ন শুভ শুক্রবার।
Related Articles
কপিরাইট
অবন্তিকা, অতি-নারী, অধুনান্তিকা পঞ্চান্ন বছর আগে চৈত্রের কোনারকে লোডশেডিঙের রাতে হোটেলের ছাদে ঠোঁটের ওপর ঠোঁট রেখে বলেছিলি চুমু প্রিন্ট করে দিচ্ছি সারা নোনা গায়ে ম্যাজেন্টা গোলাপি ভিজে লিপ্সটিকে গুনে-গুনে একশোটা, লিমিটেড এডিশান কপিরাইট উল্লঙ্ঘন করলে চলবে না । অবন্তিকা, সাংবাদিকা, অধুনান্তিকা এ-চুক্তি উভয়ের ক্ষেত্রে লাগু ছিল কিন্তু দুজনেই এর-তার কাছ থেকে শুনেছি কখন কবে কার […]
শুধু তোমারি জন্য
কত আশা রয়ে গেলো ঢাকা নিরাশার বালুচরে রয়ে গেলে তুমি রয়ে গেলাম আমি বাঁধা সময়ের বাহুডোরে ।। বদ্ধ মনের আঁধার ঘরে আলোর একটিও কিরণ যখন পায়নি যখন একটিও ভাষা রয়ে গেলে তুমি রয়ে গেলাম আমি আর ব্যর্থতার নিরবতা।। ।। অরুণিমা ।।
বনলতা সেন
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল-সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয়-সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার-অশোকের ধূসর জগতে সেখানে ছিলাম আমি; আরও দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে; আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন, আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন । চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা, মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের […]

