অহল্যা অভিমানে দূরে সরে আছ কেন…
মেঘে-মেঘে চরে বেড়াচ্ছে বৃষরাশি
বজ্রবিদ্যুতে তার টঙ্কারিত ট্যরাস
দু-পা ছড়িয়ে রয়েছে বসুন্ধরা
ভিজিয়ে নেবে তার মর্জি বৎসতরী
অতিশুক্রপাতে সিক্ত হতে চায় ধরণি
ফোঁটায়-ফোঁটায় মাতাল জঙ্ঘাদেশ
ধর্ম আজ কামবর্ষী ময়ূরপুচ্ছ…
কাছে আরো কাছে এসো অহল্যা
দেরি করে ঘুম ভাঙবে
ভোর হলে দেখব তোমার রঙিনপাড় সকাল…
এসো দেখি বৃষ্টি নামে শরীর ও শুন্যে
Related Articles
একটি টাই…নীলাঞ্জনা নীলা
ছোট্ট একটি টাইয়ের নট এখনও বাঁধতে শেখোনি অথচ কি অনায়াসে গভীর বন্ধন খুলে ফেলতে শিখেছো আমি দেখি আর ভাবি কতোটা অতলে তলিয়ে গেলে আর ভেসে ওঠা যায়না ? আর কতোটুকু বিলিয়ে দিলে নিজেকে , নিজের থাকে না কিছুই শুনেছি অগভীর সম্পর্কের কোনো নাটাই থাকেনা কিন্তু এ চোখের দিঘীতে তুমি ছাড়া কোনো পানকৌড়িও কখনো সাঁতার কাটেনি […]
এসো দুখজাগানিয়া
রাত্রির গভীরে সুড়ঙ্গ কেটে খুঁজি তোমাকে। খরস্রোতা সময় নদীর উচ্ছ্বাসে ভেসে যাও তুমি; তোমার নখ, চুলের ডগা, নোনা ঠোঁট উড়ে যায়, ভেসে যায় দাম্ভিক মেঘের সাথে। কিনারায় পাথরের টুলে বসে আমি মরু পর্বতের মতো শুষ্ক শীতল। রাত্রি যত নিকষ হয় জ্যোৎস্না মাহুতের কুশ নেমে আসে বুকে। এখন তোমাকে খুব দরকার। একটু নেমে আসবে বৃষ্টি ব্যান্ডেজ […]
মেশোমশায় পর্ব
যুধিষ্ঠির আববে পাণ্ডবের বাচ্চা যুধিষ্ঠির বহুতল বাড়ি থেকে নেবে আয় গলির মোড়েতে নিয়ায় ল্যাংবোট কৃষ্ণ ভীম বা নকুল কে কে আছে পেটো হকিস্টিক ক্ষুর সোডার বোতল ছুরি সাইকেল চেন বলেদে দ্রৌপদীকে আলসে থেকে ঝুঁকে দেখেনিক আমার সঙ্গে আজ কেউ নেই কিছু নেই ধৃষ্টদ্যুম্ন দুর্যোধন নেই তোদেরই অঙ্গুলিহেলনে কেটে তর্জনীও দিয়েছি শৈশবে দাঁড়াচ্ছি পা-ফাঁক করে দন্তস্ফূট […]
