শৈশবের কথা। সদ্যপ্রসূত কালো ছাগলির গা থেকে
রক্ত-ক্বাথ পুঁছে দিতে-দিতে বলেছিল কুলসুম আপা,
‘এ ভাবেই প্রাণ আসে পৃথিবীতে ; আমরাও এসেছি
একইভাবে’। হাঁস-মুর্গির ঘরে নিয়ে গিয়ে আপা
আমার বাঁ-হাতখানা নিজের তপ্ত তুরুপে চেপে
বলেছিল, ‘মানুষ জন্মায় এই সিন্দুকের ডালা খুলে’।
রাবণের দশ জোড়া চোখে আমি ও-সিন্দুক
আতঙ্কিত রুদ্ধশ্বাসে দ্রুত খুলে বন্ধ করে দিই ।
Related Articles
বৃষ্টি,বৃষ্টি
সহসা সন্ত্রাস ছুঁলো। ঘর-ফেরা রঙিন সন্ধ্যার ভীড়ে যারা তন্দ্রালস দিগ্বিদিক ছুটলো, চৌদিকে ঝাঁকে ঝাঁকে লাল আরশোলার মত যেন বা মড়কে শহর উজাড় হবে, – বলে গেল কেউ – শহরের পরিচিত ঘণ্টা নেড়ে খুব ঠাণ্ডা এক ভয়াল গলায় এবং হঠাৎ সুগোল তিমির মতো আকাশের পেটে বিদ্ধ হলো বিদ্যুতের উড়ন্ত বল্লম! বজ্র-শিলাসহ বৃষ্টি, বৃষ্টি : শ্রুতিকে বধির […]
গুচ্ছ কবিতা
১. থাকুক তোমার একটু স্মৃতি থাকুক একলা থাকার খুব দুপুরে একটি ঘুঘু ডাকুক ২. দিচ্ছো ভীষণ যন্ত্রণা বুঝতে কেন পাছো না ছাই মানুষ আমি, যন্ত্র না! ৩. চোখ কেড়েছে চোখ উড়িয়ে দিলাম ঝরা পাতার শোক।
বড়ো সুসময় কখনো পাবো না
ফুলের পাশেই আছে অজস্র কাঁটার পথ, এই তো জীবন নিখুঁত নিটোল কোনো মুহূর্ত পাবো না, এখন বুঝেছি আমি এভাবেই সাজাতে হবে অপূর্ণ সুন্দর; একেবারে মনোরম জলবায়ু পাবো না কখনো থাকবে কুয়াশা-মেঘ, ঝড়েরআভাস কখনো দুলবে ভেলা কখনো বিরুদ্ধ স্রোতে দিতে হবে সুদীর্ঘ সাঁতার, কুয়াশা ও ঝড়ের মাঝেই শীতগ্রীষ্মে বেয়ে যেতে হবে এই তরী; যতোই ভাবি না […]
