বেলা পড়ে আসে দেখি চোখ ভরে ভাবতে থাকি বাড়ি ফিরে যাই
যেমন অতীতে খেলার পরেই ফিরতাম বাড়ি।
এখন তেমনি জাগছে বাসনা সেই পথ ধরি।
খেলা শেষ করে ধুলো ঝেড়ে আমি দাঁড়িয়ে থাকি,
বুঝি না কোথায়, কত দূরে সেই হারানো বাড়ি।
হারিয়ে ফেলেছি চেনা বাড়ি ঘর সামনের দীঘি, দুটি তালগাছ,
দীঘি ভরা আছে ঢেউয়ের নিচে মাছেদের নাচ।
সবই ঠিক আছে কেবল আমি হারিয়েছি বাড়ি ঘর
ভাবলে এখন বুক কাঁপে কাঁপছে অধর
যেন কিছু আমি বলতে গিয়েও পারি না বলতে
পথ আছে ঠিকই কিন্তু আমি পারি না চলতে।
Related Articles
প্রিয়তমাসু
সীমান্তে আজ আমি প্রহরী। অনেক রক্তাক্ত পথ অতিক্রম ক’রে আজ এখানে এসে থমকে দাড়িয়েছি- স্বদেশের সীমানায়। দূসর তিউনিসিয়া থেকে স্নিগ্ধ ইতালী, স্নিগ্ধ ইতালী থেকে ছুটে গেছি বিপ্লবী ফ্রান্সে নক্ষত্রনিয়ন্ত্রিত নিয়তির মতো দুর্নিবার, অপরাহত রাইফেল হাতে; – ফ্রান্স থেকে প্রতিবেশী বার্মাতেও। আজ দেহে আমার সৈনিকের কড়া পোশাক, হাতে এখনো দুর্জয় রাইফেল, রক্তে রক্তে তরঙ্গিত জয়ের আর […]
হাত
আবার আমি তোমার হাতে রাখবো বলে হাত গুছিয়ে নিয়ে জীবনখানি উজান ডিঙি বেয়ে এসেছি সেই উঠোনটিতে গভীর করে রাত দেখছ না কি চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে কাঁদি দুঃখবতী মেয়ে ! আঙুলগুলো কাঁপছে দেখ, হাত বাড়াবে কখন ? কুয়াশা ভিজে শরীরখানা পাথর হয়ে গেলে ? হাত ছাড়িয়ে নিয়েছিলাম বর্ষা ছিল তখন, তখন তুমি ছিঁড়ে খেতে আস্ত কোনও […]
শরীর দিয়েছ শুধু, বর্মখানি ভুলে গেছ দিতে
‘ও যখন প্রতিরাত্রে মুখে নিয়ে এক লক্ষ ক্ষত আমার ঘরের দরজা খোলা পেয়ে ফিরে আসে ঘরে দাঁড়ায় দুয়ারপ্রান্তে সমস্ত বিশ্বের স্তব্ধতায় শরীর বাঁকিয়ে ধরে দিগন্তের থেকে শীর্ষাকাশ আর মুখে জ্বলে থাকে লক্ষ লক্ষ তারার দাহন অবলম্বহীন ঐ গরিমার থেকে ঝুঁকে পড়ে মনে হয় এই বুঝি ধর্মাধর্মজ্ঞানহেন দেহ মুহূর্তে মূর্ছিত হল আমার পায়ের তীর্থতলে- শূন্য থেকে […]

