বেলা পড়ে আসে দেখি চোখ ভরে ভাবতে থাকি বাড়ি ফিরে যাই
যেমন অতীতে খেলার পরেই ফিরতাম বাড়ি।
এখন তেমনি জাগছে বাসনা সেই পথ ধরি।
খেলা শেষ করে ধুলো ঝেড়ে আমি দাঁড়িয়ে থাকি,
বুঝি না কোথায়, কত দূরে সেই হারানো বাড়ি।
হারিয়ে ফেলেছি চেনা বাড়ি ঘর সামনের দীঘি, দুটি তালগাছ,
দীঘি ভরা আছে ঢেউয়ের নিচে মাছেদের নাচ।
সবই ঠিক আছে কেবল আমি হারিয়েছি বাড়ি ঘর
ভাবলে এখন বুক কাঁপে কাঁপছে অধর
যেন কিছু আমি বলতে গিয়েও পারি না বলতে
পথ আছে ঠিকই কিন্তু আমি পারি না চলতে।
Related Articles
আমার সন্তান যাক প্রত্যহ নরকে
আমার সন্তান যাক প্রত্যহ নরকে ছিঁড়ুক সর্বাঙ্গ তার ভাড়াটে জল্লাদ ; উপড়ে নিক চক্ষু, জিহ্বা দিবা-দ্বিপ্রহরে নিশাচর শ্বাপদেরা ; করুক আহ্লাদ তার শৃঙ্খলিত ছিন্নভিন্ন হাত-পা নিয়ে শকুনেরা | কতটুকু আসে-যায় তাতে আমার, যে-আমি করি প্রত্যহ প্রার্থনা, “তোমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে |” যে-আমি তোমার দাস ; কানাকড়ি দিয়ে কিনেছ আমাকে রাণী, বেঁধেছ শৃঙ্খলে আমার বিবেক, […]
প্রলেতারিয়েত
যতক্ষণ তুমি কৃষকের পাশে আছো, যতক্ষণ তুমি শ্রমিকের পাশে আছো, আমি আছি তোমার পাশেই। যতক্ষণ তুমি মানুষের শ্রমে শ্রদ্ধাশীল যতক্ষণ তুমি পাহাড়ী নদীর মতো খরস্রোতা যতক্ষণ তুমি পলিমৃত্তিকার মতো শস্যময় ততক্ষণ আমিও তোমার। এই যে কৃষক বৃষ্টিজলে ভিজে করছে রচনা সবুজ শস্যের এক শিল্পময় মাঠ, এই যে কৃষক বধূ তার নিপুণ আঙুলে ক্ষিপ্র দ্রুততায় ভেজা […]
লিলুয়া হাওয়ায় নাচে
আমার মায়ের বিশাল আঁচল লিলুয়া হাওয়ায় নাচে তার এক কোণে দুষ্টুমতো কে যেন লুকিয়ে আছে। আমি গেলাম কাছে আরে, এ যে আমি, কী যে অবাক লাগে মা বললেন, এই ছেলে, তুই কে? মুখ খুলে তুই পরিচয়টুকু দে। পালাবি না, আমার কথা শোন। আমি বললাম, নামটা হুমায়ূন। তোর হয়েছে কী, বল? তোর চোখে টলমল কেন জল? […]

