বর্ষা, তোমাকে না হয় আরো একটু টেনে বলি বরষা,
পদাবলীর ঢংয়ে,
বর্ষা শুনে নাকি কারো কারো মন খারাপ হয়ে যায়,
বিরহ জাগে;
আমার কিন্তু বৃষ্টি খুব ভালো লাগে, বৃষ্টি
আমার শৈশবের মতো
মেয়েরা ভিজতে চায় বৃষ্টিতে, ভিজুক না,
মেয়েরা জলে না নামলে পদ্মফুল ফুটবে কেন?
এখানে এখন বুক-সমান জল, এখানে এখন
সাঁতার, বর্ষা,
ক্ষতি কী, বর্ষাকে যদি আদর করে বরষা বলি।
শহরে না হোক গ্রামে তো কোনো মেয়ের
নাম হতে পারে বরষা,
সেই ঝমঝম রেলগাড়ি, সেই বৃষ্টি
আমার ঘুমের উপর দিয়ে মেঘ ভেসে যায়
আমি কাঁচা ঘুমের মধ্যে থেকে ডাকতে থাকি,
বরষা, ও বরষা।
Related Articles
স্রোতে রাজহাঁস আসছে
পুনর্বার স্রোতে ভাসছে হাঁস, ভাসতে দাও কোমল জলের ঘ্রাণ মাখুক হাঁসেরা; বহুদিন পর ওরা জলে নামছে, বহুদিন পর ওরা কাটছে সাঁতার স্রোতে রাজহাঁস আসছে, আসতে দাও, বহুদিন পর যেনো রোদ আসছে, আসতে দাও নত হতে দাও আকাশকে, আর একটু নত হোক আলো আর একটু নির্জন হোক অন্ধকার ! আর তুমি পরে নাও তোমার গহনা, দুল […]
গাছ অথবা সাপের গল্প
তোমাকে যেন কিসের গল্প বলবো বলেছিলাম? গাছের, না মানুষের? মানুষের, না সাপের? ওঃ, হ্যাঁ মনে পড়েছে। গাছের মতো একটা মানুষ। আর সাপের মতো একটা নারী কুয়াশা যেমন খামচা মেরে জড়িয়ে ধরে কখনো কখনো দুধকুমারী আকাশকে সাপটা তেমনি সাতপাকে জড়িয়ে ধরেছিল গাছটাকে। আর গাছটাও বেহায়া। লাজ-লজ্জা, লোক-লৌকিকতা ভুলে গিয়ে নৌকা ডুবে যাচ্ছে, এখুনি ঝাঁপ দিতে হবে […]
অনন্ত যাত্রা (কবি – নিলয়)
যাবো বলেই আসা এই তো ছিল কথা – নয় কি ? তাহলে একেলা যেতে এই বেলা – ভয় কি ? পথ নেই চেনা, তোমার ঠিকানা আছে জানা, জানি দেখা হবে, কোথায় কিভাবে – অজানা ! যদি বলো কি এনেছো দেখি, হায় রে – রিক্ত দু হাত দেবার যে কিছু নাই রে! খুঁজেছি তোমারে আর […]


