আমাকে বোলো না বন্ধু আর শুদ্ধ কবিতা লিখতে।
বয়ঃসন্ধি-সমাগতা খুঁতখুঁতে কোনো কুমারীর
ভয় ভাঙানো অথবা বদরাগী বিষণ্ন বৃদ্ধের
নিরামিষ রিরংসা মেটাতে আজ আর সাধ নেই।
সাধ নেই সময়ের ঘোলা জলে সাদা পাল তুলে
ভেসে যেতে সেই দেশে যে দেশকে রাঙাপুর বলে,
মড়ি ছেড়ে ওঠা কোনো শকুনের মতো পাখা মেলে
উড়ে যাব অলকায় দুপুরের কাঁচা সোনা রোদে,
কবিত্বের সেই বড়াই সাজে না আমার। ভালো তাই
লাগে না এখন আর মসৃণ শব্দের খেলা শুধু।
কথায় ভেজে না চিঁড়ে—ধনমান-প্রেম নয়, নয়,
চেয়েছি তো ডালভাত আর একটু আশ্রয়।
সোনায় বাঁকানো ঘাড় সোজা যদি না হয় হোক,
মই পড়ে পড়ে যার পাকা ধানে তার লাঙলে কাস্তেতে
ধার দিতে ক্ষয়ে যদি যায় যাক কলমের শাণ,
আমরা না হয় বাঁধি বাসা, আগামীরা গাবে গান।
Related Articles
কাফফার বিমর্ষ পৃথিবী
একদিন ভোরবেলা যদি সন্ধ্যা হয় কিংবা মধ্যরাতে ওঠে হঠাৎ ভোরের সূর্য এই পুরনো মলিন চাঁদ তরল সোনার মতো গলে গলে পড়ে, জলাশয়ে পাখিরা সাঁতার কাটে জলের রুপালি মাছ সহসা হাঁটতে থাকে এই ফুটপাতে, তাহলে কি এই দৃশ্যগুলো খুবই উদ্ভট বেখাপ্পা মনে হবে? একেবারে অবিশ্বাস্য মনে হবে এই ভোর হঠাৎ এমন সন্ধ্যা হয়ে গেলে- মধ্যরাত হয়ে […]
যৌবন রে, তুই কি রবি সুখের খাঁচাতে
যৌবন রে, তুই কি রবি সুখের খাঁচাতে। তুই যে পারিস কাঁটাগাছের উচ্চ ডালের ‘পরে পুচ্ছ নাচাতে। তুই পথহীন সাগরপারের পান্থ, তোর ডানা যে অশান্ত অক্লান্ত, অজানা তোর বাসার সন্ধানে রে অবাধ যে তোর ধাওয়া; ঝড়ের থেকে বজ্রকে নেয় কেড়ে তোর যে দাবিদাওয়া। যৌবন রে, তুই কি কাঙাল, আয়ুর ভিখারী। মরণ-বনের অন্ধকারে গহন কাঁটাপথে তুই যে […]
বিপুলা পৃথিবী
একদিন সে এসে পড়েছিল এই ভুল মানুষের অরণ্যে। হাতে তাদের গা ছুঁতে গিয়ে কর্কশ বল্কল লাগে বারে বারে। আজ মনে হয় কেন সে গিয়েছিল। সে কি ভেবেছিল তার চিকন মোহ উদ্ভিন্ন করে দেবে অন্ধকারের শরীর? সে কি যেন মেঘলা জল কালো বনের মাথায়? প্রতিটি পাতা তার নন্দন বরণ করে নেবে সবুজ কৃতজ্ঞতায়? আঙুরের আভার মতো […]


