নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি?
আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি।
কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি,
মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি।
নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা,
তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা?
সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ;
তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ
এবং এক জলের ধারা দেখতে পেয়েছি-
একেই বুঝি মানুষ বলে, ভালোবেসেছি।
Related Articles
একটি পে-স্কেলের জন্য অপেক্ষা
অনেকে অনেক কিছুর জন্য অপেক্ষা করে, কেবলই অপেক্ষা, আমি অর্থমন্ত্রীর একটি পে-স্কেলের জন্য অপেক্ষা করছি। যে বেতন পাই তা দিয়ে শাহবাগ ক্রসিং থেকে ফুল কেনা যায় না, আমার ভীষণ ইচ্ছে নতুন পে-স্কেল চালু হলে সবার আগে আমি তোমার জন্য শিশিরধোয়া একগুচ্ছ গোলাপ কিনবো, বেইলি রোডের বুটিক-শপে একটা থ্রি-পিস দেখেছিলাম একবার, নীল জমিনের ওপর ধবল মেঘের […]
অদ্ভুদ জীবনের ছবি
আজি এ অদ্ভুদ জীবনের ছবি আমি এঁকে চলি বারে বারে জীবনের শত রঙ হাতে তবুএ রঙে ডোবেনি -মোর তুলি যে ছবি এঁকেছি আগে সে কবে ধুয়ে মুছে গেছে তাই এঁকে চলি বারে বারে জানি এও যাবে মুছে -এ জীবনের সাথে আমার এই অদ্ভুদ ছবি কবে গেছে মিশে জীবনের সাথে শেষ হয়েও রয়ে যাবে […]
অনন্তবাহিনী ঐ তীরে
সবার জীবনে আছে ভোরবেলা, আমার তা নেই, আমার অনন্ত রাত্রি, আমার জীবনে কোনো ভোর নেই_ শুধু রাত্রি, রাত্রি_ আমার বৌয়ের নাম : রাত্রি! আমার অনন্ত রাত্রি_ রাত্রিই আমার চিরসখী। এই প্রিয় রাত্রিবেলা খেলা আমি করি অন্ধকারে; অন্ধকার; আমার আরেক বধূ_ রাত্রির যমজ! সবার জীবনে আছে ভোরবেলা, আমার তা নেই ভোর কাকে বলে আমি তা জানি […]

