নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি?
আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি।
কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি,
মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি।
নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা,
তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা?
সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ;
তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ
এবং এক জলের ধারা দেখতে পেয়েছি-
একেই বুঝি মানুষ বলে, ভালোবেসেছি।
Related Articles
অনুভব
১৯৪০ অবাক পৃথিবী! অবাক করলে তুমি জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশভূমি। অবাক পৃথিবী! আমরা যে পরাধীন অবাক, কী দ্রুত জমে ক্রোধ দিন দিন; অবাক পৃথিবী! অবাক করলে আরো— দেখি এই দেশে অন্ন নেইকো কারো। অবাক পৃথিবী! অবাক যে বারবার দেখি এই দেশে মৃত্যুরই কারবার। হিসাবের খাতা যখনি নিয়েছি হাতে দেখেছি লিখিত— `রক্ত খরচ’ তাতে; এদেশে জন্মে […]
দেখেছি যে একবার
দেখেছি যে একবার_ সেই দেখা ফুরোলো না আর সেই লাল ডুরে, সেই উঠোনে লেবুর গাছ, তারই তলে কোমল ছায়ার অগাধ ভেতরে ডুবে বালিকা সাজায় তার আপন সংসার। আমার ভেতরে সেই মেয়েটি যে রেখে গেছে তার পুতুল বরের ছবি, আমি যেন সেই রব বধূটির পাশে শুয়ে যখন জ্যোছনার লেবুগন্ধ আলো নেশাতুর রাতের বাসরে জ্বলে, বুকে অভ্র […]
সবিতার কবিতা
সবিতা তার নবজাতক কন্যাটিকে সাত তলা থেকে ফেলে দিয়েছে নিচে ছিঃ সবিতা ছিঃ এত পাষন্ড তুই! কে পারে অবোধ শিশুর চোখ ফুটিফুটি করে ফুটছে যখন, যখন ঠোঁট খুঁজছে কিছু মধু,কিছু দুধ বা জল— তুলোর মত নরম শরীর খুঁজছে কোনও উষ্ণ স্পর্শ তখন কিনা শিশুটিকে আচমকা ছুঁড়ে ফেলে দিলি। হৃদয় কি দিয়ে গড়া তোর? পাথর! হ্যাঁ […]

