সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে
হুলিয়া,
হৃদয়ের তর্জমা নিষিদ্ধ আর মননের সম্মুখে প্রাচীর
বিবেক নিয়ত বন্দী, প্রেমের বিরুদ্ধে পরোয়ানা;
এখানে এখন পাখি আর প্রজাপতি ধরে ধরে
কারাগারে রাখে-
সবাই লাঞ্ছিত করে স্বর্ণচাঁপাকে;
সুপেয় নদীর জলে ঢেকে দেয় বিষ, আকাশকে
করে উপহাস।
আলোর বিরুদ্ধাচারী আঁধারের করে শুধু স্ততি,
বসন্তের বার্তা শুনে জারি করে পূর্বাহ্নে কারফিউ,
মানবিক উৎসমুখে ফেলে যতো শিলা ও পাথর-
কবিতাকে বন্দী করে, সৌন্দর্যকে পরায় শৃঙ্খল।
Related Articles
নবীন কাঠুরের উক্তি
নিতান্ত নির্ভুলভাবে কোনো কাজ করতে পারিনি হাতের কুঠার ফেলে কাঠকাটা ভুলে বারবার দেখেছি বনের শোভা : বৃক্ষরাজি হরিৎ পত্রালি; পরিণামে অভুক্ত থেকেছি দীর্ঘ তিরিশ বছর। কাঠুরের ঘরে জন্ম, তবু, পারিনি কঠোর হতে; অবলীলাক্রমে বৃক্ষ কুঠারের আঘাতে-আঘাতে কেটে ফেলতে প্রাণে লাগে, পত্রপুষ্প শোভিত বনে ভুলক্রমে মিশে গেছি প্রাকৃতিক জীবন প্রবাহে।
নদী
রাইসর্ষের খেত সকালে উজ্জ্বল হলো- দুপুরে বিবর্ণ হ’য়ে গেল তারি পাশে নদী; নদী, তুমি কোন কথা কও? অশথের ডালাপালা তোমার বুকের ‘পরে পড়েছে যে, জামের ছায়ায় তুমি নীল হ’লে. আরো দুরে চলে যাই সেই শব্দ সেই শব্দ পিছে-পিছে আসে; নদী না কি? নদী, তুমি কোন কথা কও? তুমি যেন আমার ছোট মেয়ে- আমার সে ছোটো […]
জগন্নাথ হল
দুলে উঠছে ফুলের অজস্র পতাকা উধাও ছাত্রদের মাঠে ঘাসের বেয়োনেটগুলো আকাশের দিকে স্থির পাশেই ছিন্ন একটা স্তনের বোঁটা মুখে সমস্ত নিস্তব্ধতায় দীর্ঘ ছায়া ফেলে সৈনিক সূর্যাস্তের প্রতিফলন তার দাঁতে

