সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে
হুলিয়া,
হৃদয়ের তর্জমা নিষিদ্ধ আর মননের সম্মুখে প্রাচীর
বিবেক নিয়ত বন্দী, প্রেমের বিরুদ্ধে পরোয়ানা;
এখানে এখন পাখি আর প্রজাপতি ধরে ধরে
কারাগারে রাখে-
সবাই লাঞ্ছিত করে স্বর্ণচাঁপাকে;
সুপেয় নদীর জলে ঢেকে দেয় বিষ, আকাশকে
করে উপহাস।
আলোর বিরুদ্ধাচারী আঁধারের করে শুধু স্ততি,
বসন্তের বার্তা শুনে জারি করে পূর্বাহ্নে কারফিউ,
মানবিক উৎসমুখে ফেলে যতো শিলা ও পাথর-
কবিতাকে বন্দী করে, সৌন্দর্যকে পরায় শৃঙ্খল।
Related Articles
অচল প্রেমের পদ্য
অচল প্রেমের পদ্য – ০১ আছি। বড্ড জানান দিতে ইচ্ছে করে, – আছি, মনে ও মগজে গুন্ গুন্ করে প্রণয়ের মৌমাছি। অচল প্রেমের পদ্য – ০২ কোনদিন, আচমকা একদিন ভালোবাসা এসে যদি হুট করে বলে বসে,- ‘চলো যেদিকে দুচোখ যায় চলে যাই’, যাবে? অচল প্রেমের পদ্য – ০৩ তোমার জন্য সকাল, দুপুর তোমার জন্য সন্ধ্যা […]
সিগারেট
আমরা সিগারেট। তোমরা আমাদের বাঁচতে দাও না কেন? আমাদের কেন নিঃশেষ করো পুড়িয়ে? কেন এত স্বল্প-স্থায়ী আমাদের আয়ু? মানবতার কোন্ দোহাই তোমরা পাড়বে? আমাদের দাম বড় কম এই পৃথিবীতে। তাই কি তোমরা আমাদের শোষণ করো? বিলাসের সামগ্রী হিসাবে ফেলো পুড়িয়ে? তোমাদের শোষণের টানে আমরা ছাই হই: তোমরা নিবিড় হও আরামের উত্তাপে। তোমাদের আরামঃ আমাদের মৃত্যু। […]
কিছু কিছু দূর খুব কাছাকাছি
মনে হলো এইমাত্র তোমাকে স্পর্শ করেছি এই ঠোঁটে, বানের জলের মতো ধুয়ে দিয়েছি, পুরাতন পলিমাটি সরে গেছে, নতুন চর পড়ার আগেই বুনে দেবো বীজ, তোমার শরীর থেকে মনে হলো বেরিয়ে এলো দ্রাক্ষারস। আমি তোমাকে ছুঁইনি তবুও মনে হলো ছুঁয়েছি শরীর, শরীর কি কথা বলে, নইলে কেন সে অবাক করে দিয়ে খুলে ফেলল ব্লাউজের হুক? তারপর […]

