এভাবে আমরা গিয়েছি ক্রমশ দূরে
এক পা সকালে আর এক পা দুপুরে ;
ভেবেছি আজকে না হয় সন্ধ্যা যাক
কাল কথা হবে এমন কি তাড়া থাক ।
এভাবে হয়তো হয়েছে পরশু পার
শেষে সপ্তাহে খবর মেলেনি আর ;
মাসেও এখন হয় না খবর জানা
যে যার মতোই গুটিয়েছি হাতখানা ।
এভাবেই বাড়ে আমাদের ব্যবধান
বছরের কারো জানি না তো সন্ধান ;
এভাবে আমরা ক্রমশই দূরে যাই
কত দিন হয় আমাদের দেখা নাই ।
Related Articles
অমিমাংসিত সন্ধি
৪. অমিমাংসিত সন্ধি তোমাকে শুধু তোমাকে চাই, পাবো? পাই বা না পাই এক জীবনে তোমার কাছেই যাবো। ইচ্ছে হলে দেখতে দিও, দেখো হাত বাড়িয়ে হাত চেয়েছি রাখতে দিও, রেখো অপূণতায় নষ্টে-কষ্টে গেলো এতোটা কাল, আজকে যদি মাতাল জোয়ার এলো এসো দু’জন প্লাবিত হই প্রেমে নিরাভরণ সখ্য হবে যুগল-স্নানে নেমে। থাকবো ব্যাকুল শর্তবিহীন নত পরস্পরের বুকের […]
পরানের গহীর ভিতর-১১
কি আছে তোমার দ্যাশে? নদী আছে? আছে নাকি ঘর? ঘরের ভিতরে আছে পরানের নিকটে যে থাকে? উত্তর সিথানে গাছ, সেই গাছে পাখির কোটর আছে নাকি? পাখিরা কি মানুষের গলা নিয়া ডাকে? যখন তোমার দ্যাখা জানা নাই পাবো কি পাবো না, যখন গাছের তলে এই দেহ দিবে কালঘুম, যথন ফুরায়া যাবে জীবনের নীল শাড়ি-বোনা তখন কি […]
ময়ূর দিয়েছে
একটি ময়ুর তার পেখমের সবটুকু অভ্র ও আবীর দিয়েছে আমাকে। একটি ময়ূর তার হৃদয়ের বিছানা বালিশে মশারির টাঙানো খাটে, দরজায়, জানালায়, নীল আয়নায় অতিথিশালার মতো যখন-তখন এসে ঘুমোবার, হেঁটে বেড়াবার সুখটুকু, স্বাধীনতাটুকু সোনার চাবির মতো হাতে তুলে দিয়েছে স্বেচ্ছায়। এটোঁ কলাপাতা ঘেঁটে অকস্মাৎ জাফরাণের ঘ্রাণ পেয়ে গেলে ভিখারীরা যে রকম পরিতৃপ্ত হয়, সে রকমই সুখ […]

