আমাকে কি নিতে চাও? কত জরি ছড়াও সুন্দরী
দুই হাতে ঝরাও ঝালর
আমাকে কি নেবে তুমি? কখনো দেখিনি আগে চোখে
এত নিরুপম ভালোবাসা
তোমার মেদুর হাসি ধরেছি বিশ্বের পাশাপাশি
আণবী ছটায় জ্বলে ঠোঁট
আমাকে কি নিতে চাও? নেবে কোন শূন্য মাঠ থেকে?
হায় তুমি অন্নপূর্ণা আজ!
চাও শুধু সমর্পণ, একে একে সব নাও খুলে
মেদ মজ্জা হৃদয় মগজ
তারও পরে চাও আমি খোলাপথে হাঁটু ভেঙে বসে
হাতে নেব এনামেল বাটি
জড়াও রেশমদড়ি কত জরি ছড়াও সুন্দরী
দিনে দিনে চাও পদতলে
ভিখারি বানাও, কিন্তু মনে মনে জানোনি কখনো
তুমি তো তেমন গৌরী নও!
Related Articles
অকর্মণ্য
ইলশেগুঁড়ি, ঝমঝমে বৃষ্টি দিনমান অবিরাম। শিক্ত বসনা যুবতী গাছেরা রশ্মির অপেক্ষায় নিরুপায়, মাতাল বাতাস নাছোড়বান্দা। মাঠ জুড়ে ভেজা সবুজের কার্পেট দামাল জলের খেলাঘর। পানারি ভাসানো ব্যস্ত নয়ানজুলিতে মাটির ছেলেদের কই উৎসব। ধবল গাই তাড়িয়ে ঘর ফিরছে মুন্ডুরি। টিনের ছাদে জলতরঙ্গ উত্তাল সঙ্গীতে মাতোয়ারা পরিবেশ শুধু আমার কিছু করার নেই। ক্লান্ত কলমের স্ট্রাইক, একঘেয়ে ফেসবুকও ভেঙচি […]
দ্বীপান্তরের বন্দিনী
আসে নাই ফিরে ভারত-ভারতী মা’র কতদিন দ্বীপান্তর? পুণ্য বেদীর শূন্যে ধ্বনিল ক্রন্দন-‘দেড় শত বছর।’…. সপ্ত সিন্ধু তের নদী পার দ্বীপান্তরের আন্দামান, রূপের কমল রূপার কাঠির কঠিন স্পর্শে যেখানে ম্লান, শতদল যেথা শতধা ভিন্ন শস্ত্র-পাণির অস্ত্র-ঘাস, যস্ত্রী যেখানে সাস্ত্রী বসায়ে বীনার তন্ত্রী কাটিছে হায়, সেখানে হ’তে কি বেতার-সেতার এসেছে মুক্ত-বন্ধ সুরা? মুক্ত কি আজ বন্দিনী বাণী? […]
তোমার নাম লিখতে লিখতে
এ পর্যন্ত তেত্রিশ কোটি বার তোমার নাম লিখেছি। তোমার নাম লিখতে লিখতে হাত ক্লান্ত হয়েছে, চোখ তবুও ক্লান্ত হয় না। দেখতে চায় তোমার নামের শ্রী, বানান, ব্যাকরণে এবং সম্মিলিত শব্দের চেহারায়। যেখানে তিনটি অক্ষরের ক্রমিক আড়াল ভেঙে বেড়িয়ে আসে তোমার হারিয়ে যাওয়া মুখ, গৌরচিক্কন কন্ঠনালী, কোঁকড়ানো চুলের এলানো খোঁপায় জড়ানো একটুকরো লাল ফিতে। কালো চশমার […]

