চিনি চিনি বলি বটে তোমায় চেনা যায় না শ্যামা
চণ্ডী তুমি, দুর্গা, কালী, ছিন্নমস্তা, তিলোত্তমা
এই দেখি পিঞ্জরে বাসা, এই দেখি হা-হা শূন্যে
অনন্ত পাপ ওষ্ঠে মেখেছ, তবু সাঁতরাও পুণ্যে
চিনি চিনি বলি বটে তোমায় চিনতে পারি না মা
লায়লা তুমি, দেবী ম্যাকবেথ, বেহুলা ও বদউজ্জামাল
আমি পাগল কেঁদে ভাসাই, আগুন ঝরাই আক্রোশে
তুমি থাকো নির্বিকল্প, নিঃস্বরূপা, নির্বিশেষ
আজন্ম অধীনা ওগো, নৈরাত্ময় নাচো
মরতে মরতে বাঁচাও আবার মারতে মারতে বাঁচো
সকাল ০৭.৪৭ মিনিট
৩/৪/৮৭
Related Articles
কথোপকথন-১৫
তরমুজের বাইরেরটা সবুজ ভিতরটা লাল । আচ্ছা বলতো ,কেন মনে পড়লো কথাটা ? পারলে না ? তোমার সবুজ শাড়িটার দিকে তাকিয়ে ।
মরে গেলি, অরুণেশ ?
মরে গেলি ? সত্যিই মরে গেলি নাকি অরুণেশ ? রূপসী বাংলার খোঁজে আসঙ্গ-উন্মুখ শীতে বেপাড়া-ওপাড়া ঘেঁটে শেষমেশ ঝিলের সবুজ ঝাঁঝরিতে ডুব দিলি ! যবাক্ষারযানে কালো বিষগানে আধভেজা উলুপীর সাপ-রক্ত মিঠেল শীৎকারে হৃদযন্ত্রে দামামা বাজতেই বুক খামচে জলে নেমে গেলি– বাড়িতো পিছনে ছিল, সেদিকে গেলি না কেন ? ডাঙার গেঁজেল হায়নারা যৌবনে ভালোবাসা পেয়েছিল তোর , […]
আগ্নেয়াস্ত্র
পুলিশ স্টেশনে ভিড়,আগ্নেয়াস্ত্র জমা নিচ্ছে শহরের সন্দিগ্ধ সৈনিক।সামরিক নির্দেশে ভীত মানুষের শটগান,রাইফেল,পিস্তল এবং কার্তুজ,যেন দরগার স্বীকৃত মানত,টেবিলে ফুলের মতো মস্তানের হাত। আমি শুধু সামরিক আদেশ অমান্য করে হয়ে গেছি কোমল বিদ্রোহী,প্রকাশ্যে ফিরছি ঘরে অথচ আমার সঙ্গে হৃদয়ের মতো মারাত্তক একটি আগ্নেয়াস্ত্র,আমি জমা দেইনি।

