এই পরাজয়, এই অদৃশ্যভাঙ্গন জুড়ে অধঃপতনের ভয় ওরা আজ কোথায়
লুকোবে?
সামান্য তিন ফুট পাঁচ অথবা ছয় ইঞ্চি দীর্ঘ পোড়ামাটি’
খোড়লের বাঙ্গালী হৃদয়- এতে অতটা ধরে না তাই
বইতে অক্ষম, তাই কলসের উদ্বৃত্ত জলের মতো গড়িয়ে পড়ে
অস্থিরতা শুধু অস্থিরতা! ওরা যাই তোলে গোলাপ অথবা পাপ
নারীর নির্মল অভিশাপ যাই তুলি, সব আজ সবই যেনো অস্থিরতার
কালিমাসম্পন্ন হয়ে ধ্বসে যায়, যেনবা ঝড়ের মুখে কিষাণের ঝড়ো
চালাঘর!
সব তাই অষ্ট প্রহর আজ ভীতিপ্রদ-গোলাপ, অথবা পাপ
নারী, প্রেম, বেশ্যালয়, ঘোলমদ, শূন্যতায় যার দিকে যায় ওরা ভয় পেয়ে
ফিরে আসে, ব্যর্থ ক্লান্ত ভীত ওরা নিজের ছায়ার মতো
মানস গুটিয়ে নিয়ে অতঃপর নত ক্লান্ত বসে থাকে, খুব একা!
যেনবা ওদের কোনো কাজ নেই, কথা নেই, করুণাও নেই!
Related Articles
সাধারন মেয়ে
আমি অন্তঃপুরের মেয়ে, চিনবে না আমাকে। তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু , ‘বাসি ফুলের মালা’। তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরন দশা ধরেছিল পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে। পঁচিশ বছর বয়সের সংগে ছিল তার রেশারেশি— দেখলেম তুমি মহদাশয় বটে, জিতিয়ে দিলে তাকে।। নিজের কথা বলি। বয়স আমার অল্প। একজনের মন ছুঁয়েছিল আমার এই কাঁচা বয়সের মায়া। তাই জেনে […]
আমার দেশ
বাংলাদেশের বাউলেরা বাংলাতে গায় গান। গান শুনে লাগে ভাল জুড়ায় মনপ্রান। বাংলাদেশের রাখালেরা বাজায় বাশের বাশি, বাশি শুনে লাগে ভাল মুখে ফোটে হাসি। বাংলাদেশের কৃষকেরা ফলায় মাঠে ফসল, ফসল দেখে লাগে ভাল বুকে আসে বল।
সৎপাত্র
শুনতে পেলাম পোস্তা গিয়ে— তোমার নাকি মেয়ের বিয়ে ? গঙ্গারামকে পাত্র পেলে ? জানতে চাও সে কেমন ছেলে ? মন্দ নয় সে পাত্র ভালো রঙ যদিও বেজায় কালো ; তার উপরে মুখের গঠন অনেকটা ঠিক পেঁচার মতন ; বিদ্যে বুদ্ধি ? বলছি মশাই— ধন্যি ছেলের অধ্যবসায় ! উনিশটিবার ম্যাট্রিকে সে ঘায়েল হয়ে থামল শেষে । […]

