তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারিনি জানতে
এই দেশে বসতি করে শান্তি শান্তি শান্তি
তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারিনি জানতে
সফলতার দীর্ঘ সিঁড়ি, তার নিচে ভুল-ভ্রান্তি
কিছুই জানতে পারিনি আজ, কাল যা-কিছু আনতে
তার মাঝে কি থাকতো মিশে সেই আমাদের ক্লান্তির
দু-জন দু-হাত জড়িয়ে থাকা–সেই আমাদের শান্তি?
তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারিনি জানতে।
বেশ কিছুদিন সময় ছিলো–সুদুঃসময় ভাঙতে
গড়তে কিছু, গড়নপেটন–তার নামই তো কান্তি?
এ সেই নিশ্চেতনের দেশের শুরু না সংক্রান্তি–
তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারি নি জানতে।
Related Articles
হকার
নিস্তব্ধ রাতের শহরে টালমাটাল পদক্ষেপ। নোনা লাগা, শ্যাওলা জড়ানো দেয়ালে ভর দিয়ে এগিয়ে চলা। নিষিদ্ধ পল্লী ফেরত পথে কুকুরদের এলাকা দখলের লড়াই পাশ কাটিয়ে গলির মুখে এসে দাঁড়াল। দীর্ঘ দিন যাপনের ক্লান্তি তার চোখে মুখে প্রতিটি লোমকূপে। পকেটে সরকারি নোটিস। ত্রিফলা বাতির নিচে গিয়ে বসলো সৌম্য। মনের বোতলে কান্নারা ভিড় করে কিলবিল করে ঢেকুরের সাথে […]
এখনো
কাগজ পেলেই আঁকচারা কাটা অভ্যেস। একবার আঁকছিলুম রাজবাড়ি। আঁকতে আঁকতে হয়ে উঠলো আলকাতরা মাখা দৈত্য, কাগজ থেকে লাফ দিয়ে উঠলো দশ আঙুলের থাবা খাঁবো, খাঁবো, খাঁবো। সেই থেকে আর রাজবাড়ি আঁকি না। আঁকি রাজহাঁস, ময়ুর, জলের ঘূর্নি, আর সেই সব শিকড় যা ডুবে আছে আকুলি-বিকুলি তৃষ্ণার ভিতরে। পদ্মপাতায় ডুমুরের গুছির মতো ফলে থাকে যে শিশির […]
একটু পা চালিয়ে, ভাই – ৪
লেনিনকে আমরা দাঁড় করিয়ে রেখেছি ধর্মতলায় ট্রামের গুমটির পাশে। আঁস্তাকুড়ের ভাত একদল খুঁটে খুঁটে খাচ্ছে ডাস্টবিনে হাত চালিয়ে দিয়ে। লেনিন দেখছেন। গ্রামের এক লোক শহরে ডাক্তার দেখিয়ে সর্বস্বান্ত হতে এসেছিল তার আগেই তাকে সর্বস্বান্ত করে দিয়ে গেল এক পকেটমার। লেনিন দেখছেন। সন্ধের মুখে যে মেয়েটাকে একটা ট্যাক্সি এসে তুলে নিয়ে গিয়েছিল, সন্ধে গড়িয়ে গেলে, হাই […]

