কেন সারাদিন ধীরে ধীরে
বালু নিয়ে শুধু খেল তীরে!
চলে গেল বেলা, রেখে মিছে খেলা
ঝাঁপ দিয়ে পড়ো কালো নীরে।
অকূল ছানিয়ে যা পাও তা নিয়ে
হেসে কেঁদে চলো ঘরে ফিরে।
নাহি জানি মনে কী বাসিয়া
পথে বসে আছে কে আসিয়া।
কী কুসুমবাসে ফাগুনবাতাসে
হৃদয় দিতেছে উদাসিয়া।
চল্ ওরে এই খেপা বাতাসেই
সাথে নিয়ে সেই উদাসীরে।
Related Articles
তুমি এবার আমায় লহো হে নাথ,লহো।
তুমি এবার আমায় লহো হে নাথ,লহো। এবার তুমি ফিরো না হে– হৃদয় কেড়ে নিয়ে রহো। যে দিন গেছে তোমা বিনা তারে আর ফিরে চাহি না, যাক সে ধুলাতে। এখন তোমার আলোয় জীবন মেলে যেন জাগি অহরহ। কী আবেশে কিসের কথায় ফিরেছি হে যথায় তথায় পথে প্রান্তরে, এবার বুকের কাছে ও মুখ রেখে তোমার আপন বাণী […]
অন্ধকারের উৎস-হতে উৎসারিত আলো
অন্ধকারের উৎস-হতে উৎসারিত আলো সেই তো তোমার আলো! সকল দ্বন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ॥ পথের ধুলায় বক্ষ পেতে রয়েছে যেই গেহ সেই তো তোমার গেহ। সমরঘাতে অমর করে রুদ্রনিঠুর স্নেহ সেই তো তোমার স্নেহ ॥ সব ফুরালে বাকি রহে অদৃশ্য যেই দান সেই তো তোমার দান। মৃত্যু আপন পাত্রে ভরি বহিছে […]
বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে
বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে, পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে। বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী– তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে। বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান […]


