প্রখর তপনতাপে আকাশ তৃষায় কাঁপে,
বায়ু করে হাহাকার।
দীর্ঘপথের শেষে ডাকি মন্দিরে এসে,
“খোলো খোলো খোলো দ্বার॥
বাহির হয়েছি কবে কার আহ্বানরবে,
এখনি মলিন হবে প্রভাতের ফুলহার॥
বুকে বাজে আশাহীনা ক্ষীণমর্মর বীণা,
জানি না কে আছে কিনা, সাড়া তো না পাই তার।
আজি সারা দিন ধ’রে প্রাণে সুর ওঠে ভরে,
একেলা কেমন ক’রে বহিব গানের ভার॥
Related Articles
অল্প লইয়া থাকি
অল্প লইয়া থাকি, তাই মোর যাহা যায় তাহা যায়। কণাটুকু যদি হারায় তা লয়ে প্রাণ করে “হায় হায়’ ॥ নদীতটসম কেবলই বৃথাই প্রবাহ আঁকড়ি রাখিবারে চাই, একে একে বুকে আঘাত করিয়া ঢেউগুলি কোথা ধায় ॥ যাহা যায় আর যাহা-কিছু থাকে সব যদি দিই সঁপিয়া তোমাকে তবে নাহি ক্ষয়, সবই জেগে রয় তব মহা মহিমায়। তোমাতে […]
পরবাসী, চলে এসো ঘরে
পরবাসী, চলে এসো ঘরে অনুকূল সমীরণ-ভরে॥ ওই দেখো কতবার হল খেয়া-পারাবার, সারিগান উঠিল অম্বরে॥ আকাশে আকাশে আয়োজন, বাতাসে বাতাসে আমন্ত্রণ। মন যে দিল না সাড়া, তাই তুমি গৃহছাড়া নির্বাসিত বাহিরে অন্তরে॥ রাগ: ইমনকল্যাণ তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২২ মাঘ, ১৩৩২ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৬ স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার
শ্রাবণের গগনের গায়
শ্রাবণের গগনের গায় বিদ্যুৎ চমকিয়া যায়। ক্ষণে ক্ষণে শর্বরী শিহরিয়া উঠে, হায়॥ তেমনি তোমার বাণী মর্মতলে যায় হানি সঙ্গোপনে, ধৈরজ যায় যে টুটে, হায়॥ যেমন বরষাধারায় অরণ্য আপনা হারায় বারে বারে ঘন রস-আবরণে তেমনি তোমার স্মৃতি ঢেকে ফেলে মোর গীতি নিবিড় ধারে আনন্দ-বরিষণে, হায়॥ Shraboner Gogoner Gay

