জ্যোৎস্নারাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি শুয়ে আছো—
লাবণ্য ঝরিছে অপরুপ ; এরকম চন্দ্রের ক্রন্দন দেখেছে বাংলাদেশ ।
মানুষের ভিতরে এক চাঁদরানী আছেন, অতিব্যক্তিগত
নাচায় তারে আমৃত্যু-শোণিতে-জোয়ারে ; সুস্থচিত্রকল্প, রোমাঞ্চ!
তোমার ভিতরে এক তৃষ্ণা ছিলেন, অন্ধকারের মতো কুটিল
জটিলা নদীর মতো বহুব্রীহি, সার্থক ; সেখানে দীক্ষা নেয়
জলের প্রাণীরা, গভীরতা কতদূর জানে না মাছরাঙা—
শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, কেউ পোড়ে অস্থিমাংসসহ।
আমার ভিতরে এক বেদনা আছেন, নারীদের মতো স্বভাবচরিত্র
একবার লজ্জাহীনা হলে কুরে খায় কবিতা, সূর্যোদয়—
তুমি জানো স্বর্ণমুদ্রা খোলে না সিন্দুক, উদ্ধত পাখি সে, উড়ে যায়।
কুন্তলে গ্রীবায় কি পরেছ, জ্যোৎস্নার কোমলতা বুঝি?
—শুয়ে আছো, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি, জ্যোৎস্নারাতে
শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, কেউ পোড়ে অস্থিমাংসসহ।
Related Articles
ব্যর্থ প্রেম
প্রতিটি ব্যর্থ প্রেমই আমাকে নতুন অহঙ্কার দেয় আমি মানুষ হিসেবে একটু লম্বা হয়ে উঠি দুঃখ আমার মাথার চুল থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত ছড়িয়ে যায় আমি সমস্ত মানুষের থেকে আলাদা হয়ে এক অচেনা রাস্তা দিয়ে ধীরে পায়ে হেঁটে যাই সার্থক মানুষদের আরো-চাই মুখ আমার সহ্য হয় না আমি পথের কুকুরকে বিস্কুট কিনে দিই রিক্সাওয়ালাকে দিই সিগারেট […]
বলেছিলাম
সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ? সে কথা বলিনি৷ বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন উত্স কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ? আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ? শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান আর দ্যাখো, ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে সব প্রতিরোধ […]
এবার কবিতা লিখে
এবার কবিতা লিখে আমি একটা রাজপ্রাসাদ বানাবো এবার কবিতা লিখে আমি চাই পনটিয়াক গাড়ি এবার কবিতা লিখে আমি ঠিক রাষ্ট্রপতি না হলেও ত্রিপাদ ভূমির জন্য রাখবো পা উঁচিয়ে- মেশপালকের গানে এ পৃথিবী বহুদিন ঋণী! কবিতা লিখেছি আমি চাই স্কচ, শাদা ঘোড়া, নির্ভেজাল ঘৃতে পক্ক মুরগী দু-ঠ্যাং শুধু, বাকি মাংস নয়- কবিতা লিখেছি তাই আমার সহস্র […]

