ও আমার মন যখন জাগলি না রে
তোর মনের মানুষ এল দ্বারে।
তার চলে যাবার শব্দ শুনে
ভাঙল রে ঘুম–
ও তোর ভাঙল রে ঘুম অন্ধকারে।
মাটির ‘পরে আঁচল পাতি’
একলা কাটে নিশীথ রাতি,
তার বাঁশি বাজে আঁধার-মাঝে
দেখি না যে চক্ষে তারে।
ওরে তুই যাহারে দিলি ফাঁকি
খুঁজে তারে পায় কি আঁখি?
এখন পথে ফিরে পাবি কি রে
ঘরের বাহির করলি যারে।
Related Articles
ও আমার উড়াল পঙ্খী রে
ও আমার উড়ল পঙ্খী রে যা যা তুই উড়াল দিয়া যা আমি থাকব মাটির ঘরে, আমার চোক্ষে বৃষ্টি পড়ে তোর হইবে মেঘের উপরে বাসা… [ও] আমার মনে বেজায় কষ্ট সেই কষ্ট হইল পষ্ট দুই চোক্ষে ভর করিল আঁধার নিরাশা তোর হইল মেঘের উপরে বাসা ও আমার উড়ল পঙ্খী রে… মেঘবতী মেঘকুমারী মেঘের উপরে থাক সুখ-দুঃখ […]
ও যে মানে না মানা
ও যে মানে না মানা। আঁখি ফিরাইলে বলে, ‘না, না, না।’ যত বলি ‘নাই রাতি– মলিন হয়েছে বাতি’ মুখপানে চেয়ে বলে, ‘না, না, না।’ বিধুর বিকল হয়ে খেপা পবনে ফাগুন করিছে হাহা ফুলের বনে। আমি যত বলি ‘তবে এবার যে যেতে হবে’ দুয়ারে দাঁড়ায়ে বলে, ‘না, না, না।’ রাগ: ভৈরবী তাল: দাদরা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1316 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1909 স্বরলিপিকার: সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় […]
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা, এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা। যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো, আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ॥ তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে, তিলেক অন্তর হলে না হেরি কূল-কিনারা। কখনো বিপথে যদি ভ্রমিতে চাহে এ হৃদি অমনি ও মুখ হেরি শরমে সে হয় সারা।

