বৃষ্টিতে না হোক, তবু অন্য কিছু ঘটুক এখন
এমন রাত্রিতে এসে থেমে যাবে বন্ধ্যা বিস্ময়?
হতাহত, অনাদর, অপমানে-আরক্ত ভ্রমণ-
সানুদেশে একত্রিত, আরোহণও নিরাপদ নয়।
জ্যেষ্ঠদের উৎসাহে নারীদের গোপন রোদনে
যদিও দাঁড়ালো উঠে যুবকেরা, শিশুর জনক
এমনকি কিশোরেরা কেঁটে ওঠে মোহিত বোধনে
বৃদ্ধেরা চিন্তিত, তবু পিছু ফেরা আরো ভয়ানক।
আরো ভয়ঙ্কর ওই পর্বতের তির্যক চূড়াটা
কঠিন কৃষ কান্তি, চিরকুট পিচ্ছিল পাথর,
সহসা পেশল শব্দে যাত্রীদের প্রথম ঘোড়াটা
অতর্কিত লাফ দেয় বাতাসের বুকের ওপর
অতল নৈঃশব্দে যেন উপচালো ঐক্যের আঁধার
কে যেন ফুঁপিয়ে কাঁদে, পুরুষের প্রেয়সী না রোল
একদিন চূর্ণ হবে এই তিক্ত গোলক-ধাঁধার
এখন মশালে দাও এক বিন্দু স্নেহের আগুন।
Related Articles
তীর্থ
২৩. তীর্থ কেন নাড়া দিলে? নাড়ালেই নড়ে না অনেক কিছু তবু কেন এমন নাড়ালে? পৃথিবীর তিন ভাগ সমান দু’চোখ যার তাকে কেন একমাস শ্রাবণ দেখালে! এক ওভাবে নাড়ালে? যেটুকু নড়ে না তুমুলভাবে ভেতরে বাহিরে কেন তাকে সেটুকু নাড়ালে? ভয় দেখালেই ভয় পায় না অনেকে, তবু তাকে সে ভয় দেখালে? যে মানুষ জীবনের সব ক’টি শোক-দ্বীপে […]
আন্দোলন
ময়দান ভারি হয়ে নামে কুয়াশায় দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ঞচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই তোমার ছিন্ন শির, তিমির। নিহত ছেলের মা আকাশ ভরে যায় ভস্মে দেবতাদের অভিমান এইরকম আর আমাদের বুক থেকে চরাচরব্যাপী কালো হাওয়ার উত্থান এ ছাড়া আর কোনো শান্তি নেই কোনো অশান্তিও না।
সভ্যতা'র দেবী
যাবতীয় সভ্যতায় যা কিছু যাযাবর সব ধ্বংস হয়ে যাক, ইকারুসের ডানার মত অথবা ফিনিক্স পাখির মত নির্ভেজাল বেঁচে থাকা- কিছুই চাই না । শুধু ধূসর পিরামিডের মত নাহয় শুভ্রতায় জেগে থাকা তাজমহলের মত- তুমি বেঁচে থেকো আমার মাঝে, আমার হয়ে; বেঁচে থাকার জন্য আর কিছুই চাই না । তুমি বেঁচে থেকো সভ্যতার দেবী হয়ে মিসরীয় […]

