বৃষ্টিতে না হোক, তবু অন্য কিছু ঘটুক এখন
এমন রাত্রিতে এসে থেমে যাবে বন্ধ্যা বিস্ময়?
হতাহত, অনাদর, অপমানে-আরক্ত ভ্রমণ-
সানুদেশে একত্রিত, আরোহণও নিরাপদ নয়।
জ্যেষ্ঠদের উৎসাহে নারীদের গোপন রোদনে
যদিও দাঁড়ালো উঠে যুবকেরা, শিশুর জনক
এমনকি কিশোরেরা কেঁটে ওঠে মোহিত বোধনে
বৃদ্ধেরা চিন্তিত, তবু পিছু ফেরা আরো ভয়ানক।
আরো ভয়ঙ্কর ওই পর্বতের তির্যক চূড়াটা
কঠিন কৃষ কান্তি, চিরকুট পিচ্ছিল পাথর,
সহসা পেশল শব্দে যাত্রীদের প্রথম ঘোড়াটা
অতর্কিত লাফ দেয় বাতাসের বুকের ওপর
অতল নৈঃশব্দে যেন উপচালো ঐক্যের আঁধার
কে যেন ফুঁপিয়ে কাঁদে, পুরুষের প্রেয়সী না রোল
একদিন চূর্ণ হবে এই তিক্ত গোলক-ধাঁধার
এখন মশালে দাও এক বিন্দু স্নেহের আগুন।
Related Articles
রবি বাবু ও আমার বাবা
অসহায় রবি বাবু সেদিন আমাদের উঠানে দাঁড়াইয়া আমার বাবাকে হঠাৎ কাছে ডাকিয়া বলিলেন, আষাঢ় মাস পদ্মায় যাইতে হইবে, পুনরায় বলিলেন এইদিকে আসিতে আজ্ঞা হয়, বাবা ভাবিয়াছিলেন, জমিদার বাবু খাজনার কথা বলিবেন, সেই কথা না বলিয়া বলিলেন, একখানি গীত রচনা করিয়াছি একটু আগে, শ্রবণ করিলে বাধিত হইবো জমিদার বাবুর রচিত সেই গীতখানি প্রায়শই বাবার মুখে শুনিতেছি, […]
মাথিনের বৃষ্টি
বৃষ্টি পড়ে, বৃষ্টি পড়ে, ঘরে ঘরে, দরিয়ানগরে। বৃষ্টি পড়ে কিয়াঙে, মন্দিরে আর রোয়াং শহরে । বৃষ্টি পড়ে নারকেল জিনজিরা হয়ে জলের কবরে । নাফের হূদয় থেকে রক্তকণা উঠে আসে জলকণা হয়ে। জাতিযুবকের দা’য়ে ঐতিহ্যসম্মত ওই জাতিরক্ত যায় বয়ে বয়ে। ধীরাজ দেখে না কিছু, মাথিন-বর্ষণে ভেজে দিনরাত, নিবিড়-নির্ভয়ে। আকাশের বুকে দেখো হাজার হাজার বোঁটা যায় ছিঁড়ে […]
হাত
আবার আমি তোমার হাতে রাখবো বলে হাত গুছিয়ে নিয়ে জীবনখানি উজান ডিঙি বেয়ে এসেছি সেই উঠোনটিতে গভীর করে রাত দেখছ না কি চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে কাঁদি দুঃখবতী মেয়ে ! আঙুলগুলো কাঁপছে দেখ, হাত বাড়াবে কখন ? কুয়াশা ভিজে শরীরখানা পাথর হয়ে গেলে ? হাত ছাড়িয়ে নিয়েছিলাম বর্ষা ছিল তখন, তখন তুমি ছিঁড়ে খেতে আস্ত কোনও […]

